টেকনাফে মাসিক আইন-শৃংখলা সভায় বক্তারা
হুমায়ূন রশিদ, টেকনাফ :
টেকনাফে মাসিক আইন-শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মাদক বিরোধী অভিযানে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের দমনের পাশাপাশি নিরীহ কোন মানুষ হয়রানির বিষয়ে সর্তক থাকার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া মানবিক কারণে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবী জানানো হয়।
৩০মে সকাল ১১টায় টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর কবিরের পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ¦ সোনা আলী, কোস্টগার্ডের এম আনোয়ারুল ইসলাম, টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়–য়া, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাষ্টার জাহেদ হোসেন, উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসাইন, সমাজ সেবা অফিসার মোঃ সিরাজ উদ্দিন, সমবায় অফিসার নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি জহির হোসেন এমএ, হোয়াইক্যং মডেল ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার মিলি, বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মৌঃ আজিজ উদ্দিন, হ্নীলা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, ইফার মৌঃ আবু বক্কর রফিক, মোঃ শহীদুল্লাহ, শহীদুল ইসলাম, মোঃ মোশারফ হোসেন, মোঃ ইমরানুল হক, বিজিবি কোম্পানী কমান্ডার নজরুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিসের কৃতি রঞ্জন বড়–য়া, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হ্লাম্যাচা, পৌর মহিলা কমিশনার নাজমা আলম ও সদর ইউপি মহিলা মেম্বার রানু আক্তারসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
এতে বক্তারা বলেন, সরকারের চলমান মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে সবার সমর্থন থাকলেও ক্ষেত্র বিশেষে সাধারণ কিছু মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি মাথায় রেখে মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার আহবান জানানো হয়। মাদক চোরাচালানে সংশ্লিষ্টতা না থাকলে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। খুচরা মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের আইনের আওতায় এনে এই অভিযানকে সফল করার জন্য সর্বস্তরের জনতার সহায়তা কামনা করা হয়।
এদিকে হ্নীলাসহ বিভিন্ন এলাকার বেশীর ভাগ মাদক চোরাকারবারী সংঘবদ্ধ হয়ে স্বশস্ত্র অবস্থায় পাহাড়ী পাদদেশে অবস্থান করছে বলে জানানো হয়।
এছাড়া সরকারের সদিচ্ছা ও মানবিক কারণে বিভিন্ন পয়েন্টে আশ্রয় নেওয়া হ্নীলা-হোয়াইক্যংয়ে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের গতিবিধি ও বেপরোয়া চলাফেরায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের নিয়ন্ত্রণের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
