মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম : টেকনাফে ঘোর মাদক বিরোধী অভিযান এবং অব্যাহত বন্দুক যুদ্ধেও মধ্যেও পৃথক অভিযানে দেড় লক্ষ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় সচেতনমহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, ২৫ জানুয়ারী শুক্রবার ভোর ৫টায় টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার গোপন সংবাদে টেকনাফ বিওপির একটি বিশেষ টহলদল নিয়ে উত্তর জালিয়াপাড়ায় এক পরিত্যক্ত বাড়ীর এক পার্শ্ব হতে মাটি খুঁড়ে ইয়াবা ভর্তি ড্রাম বের করে। যা গণনা করে ৩ কোটি ৯০ লক্ষ টাকার ১ লক্ষ ৩০ হাজার পিছ ইয়াবা পাওয়া যায়। এর আগে রাত ৮টায় নাজির পাড়া বিওপি আলমের প্রজেক্ট সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০লক্ষ টাকা মূল্যমানের ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে। যা পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।
এদিকে টেকনাফসহ পুরো দেশে মাদকের বিরুদ্ধে ঘোর বিরোধী অভিযান এবং বন্দুক যুদ্ধেও মধ্যে কতিপয় মাদক চোরাচালানীদেও অপতৎপরতায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে এসব মাদক কারবারীদের আইনের আওতায় আনা দরকার বলে সচেতন মহল মনে করেন।
