বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় পোল্টি খামার দেখাশূনা করতে গিয়েই স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্ত দলের হামলায় রক্তাক্ত খামার মালিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এই ঘটনায় আরো একজন আহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তিকে পোস্টমর্টেম শেষে দাফন করা হয়েছে।
জানা যায়,গত ১লা মার্চ রাত সাড়ে ৯টারদিকে টেকনাফের হ্নীলা উত্তর আলীখালীর মৃত অলি হোছনের ২য়পুত্র নজির আহমদ ওরফে ছৈয়ত্যা (৩৫),তার ভাই অদাইয়া ও চাচাত ভাই নুরুল কবির মিলে বাড়ির পাশে নিজস্ব পোল্ট্রি ফার্ম দেখাশুনা করতে যায়। আগ থেকে ওঁৎপেতে থাকা মৃত কালা চাঁনের পুত্র রিদুওয়ান, মোজাহার হাজীর পুত্র মোহাম্মদ, ভূলু মিয়ার পুত্র দেলোয়ার ডাকাত, মোহাম্মদের পুত্র মুসলিম মিয়া ডাকাতসহ ১০/১৫জনের একটি গ্রæপ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র, কিরিচ ও লাঠি-সোঠা নিয়ে হামলা করে। দূবৃর্ত্ত দলের আঘাতে নজির আহমদ ছৈয়ত্যা ও নুরুল কবির রক্তাক্ত হয়। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে আলীখালী ২৫নং সিআইসি হাসপাতালে নিয়ে যায়। ছৈয়ত্যার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নজির আহমদ ওরফে ছৈয়ত্যা ২জন মেয়ের জনক এবং তারা ৪জন ভাই, ৬জন বোন ছিল। ভাইদের মধ্যে সে ২য় সন্তান ছিল।
হামলাকারীদের সাথে প্রকৃত ঘটনার বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ না পাওয়ায় কি কারণে এই নৃশংস ঘটনা ঘটলো তা স্পষ্ট হওয়া যায়নি।
এই ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মাটির কাটার ফলে সুষ্ট ডোবা হতে ১টি দেশীয় অস্ত্র, ১টি কিরিচ ও লাঠি-সোঠা উদ্ধার করে বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেন।
২রা মার্চ বিকালে পোস্টমর্টেম শেষে নজির আহমদ ওরফে ছৈয়ত্যার মৃতদেহ বাড়িতে আনা হয়। বাদে এশার নামাজের পর রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে স্থানীয় কবর স্থানে দাফন করা হয়েছে। শোকাহত পরিবার আতংকে দূবৃর্ত্ত দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও এই নৃশংস ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে নিহতের স্বজনেরা জানান। মূলত কি বিষয় নিয়ে এই ধরনের নৃশংস ঘটনার সুত্রপাত তা এলাকার কেউ মুখ খুলছেনা। ###
