মন কাঁদে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

(হ্নীলা আল জামেয়া আল ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার স্বনামধন্য সদরে মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস আল্লামা ইসহাক(রঃ) সাহেব এর স্মরণে)

এম.এরশাদুর রহমান :

চাইলে নিজের জীবনকে সুন্দর পথে চালানো যায়।

এই ধরাতে নিজের চেয়ে নিজের আপন কেহ নাই।

নিজেকে নিজে চেনার জন্যে কত কিছু করতে হয়।

যারা নিজেকে চিনেছে সবখানে তাদের জয়।

হ্নীলার ইসহাক হুজুর তাদের মধ্যে অন্যতম।

আল্লাহর ইবাদতে মসগুর থাকতেন হরদম।

জাগ্রত হয় ঘুমন্ত ইমান ওনার কর্ম দর্শণে।

হ্নীলা জামেয়ায ছুটে আসত অনেকে ওনার আকর্ষণে।

জামেয়াকে আল্লাহর আরশে সুপরিচিত করে তুলেছেন।

কুরআন হাদিসের প্রেমে পড়ে জীবনে বহু কিছু ভুলেছেন।

হাতে কলম তুলে নিয়ে কমালতে আজিজি লিখলেন।

ঐ কিতাব গুলো থেকে গবেষকেরা অনেক কিছু শিখলেন।

জনতাকে সচেতন করতে ওয়াজ নসিহত করতেন।

প্রতিক্ষনে ক্ষণে তিনি আল্লাহকে স্মরতেন।

আল্লামা ইসহাক সদর সাহেব আল্লাহর বান্দা খাঁিট।

আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন সারা দিবস রাতি।

জটিলতাকে এড়িয়ে তিনি সহজ ভাবে চলতেন।

মানুষের সাথে হেদায়তের কথামালা বলতেন।

মানুষ তোমরা দামি হও আল্লাহর ইবাদত করিয়া।

মসজিদে গিয়ে হাজিরা দাও নিজের কান নিজে ধরিয়া।

আল্লাহর ইবাদতের তরে জীনও মানুষ বানালেন।

১০৪খানা কিতাব দিয়ে সেই সব কথা জানালেন।

নামাজ না পড়ে কেমনে থাক ওগো মানুষ জাতি।

অন্ধকার ঐ সমাধিতে নামাজ হবে তোমার বাতি।

মৌলিক এই সব কথা গুলো কেন তোমরা বুঝনা?

আল্লাহর কাছে যেতে হেদায়েত কেন খুঁজনা?

নয়নের আলো দিয়ে যেমন বাইরে দেখ।

তেমন করে হেদায়েত পেয়ে কুরআন হাদিস শেখ।

কুরআন হাদিসের বাহিরে কদম কেন চালাবে।

নিজের ইচ্ছায় চললে শয়তান তোমায় জ¦ালাবে।

প্রতিক্ষণে তিনি মোদের আদব কায়দা শেখাতেন।

কুরআন হাদিস থেকে তিনি হেদায়তের পথ দেখাতেন।

দেশবাসীর মাথার মুকুট আল্লামা ইসহাক হুজুর।

আমার কাছে মনে হত জীবন্ত এক হেদায়তের নুর।

প্রতি নিয়ত তাগিদ দিতেন আল্লাহর খাঁটি বান্দা হতে।

বলতেন সংগ্রাম করতে হবে সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে।

কুরআন হাদিসের দরস দিতেন নানান উপমা দিয়ে।

বড় হতে চাইতেন সদা আল্লাহর সব কাজ নিয়ে।

শয়তানের সাথে প্রকাশ্যে যুদ্ধ তিনি করতেন।

শয়তান তাঁর কাছ থেকে দুরে দুরে সরতেন।

মহৎ মানুষ নিয়ে কবিতা লিখে আমিও মহৎ হতে চাই।

মহত্বের চর্চা করলেই নিজেও মহৎ হওয়া যায়।

ইসহাক হুজুর দেখিয়ে গেলেন কিভাবে আল্লাহকে পেতে হয়।

আল্লাহকে পেতে হলে কি কি কাজ করতে হয়।

আল্লামা ইসহাক হুজুর শান্তির এক ফালগু ধারা।

হাটতে ফিরতে চলতে বলতে ওনার স্মৃতি দেয় নাড়া।

ক্ষমতার মোহ ছিলনা একদম মাটির মানুষ।

নিশি রাতে উড়াতেন তিনি বন্দেগির মহা ফানুস।

হ্নীলার মাটি ধন্য হল হুজুরের মত মানুষ জন্মে।

মানুষ জাতি দামি হয় সাধনা করেন কর্মে।

আল্লামা ইসহাক হুজুর হেদায়তের এক আলো।

সেই আলো ঘরে ঘরে সবাই মিলে জ¦ালো।

আল্লাহর কাজের বিকাশ ঘটুক সবার পরিবারে।

হেদায়তের আলো পৌছাও গিয়ে তোমরা দারে দারে।

মানুষ থেকে পরিবার পরিবার থেকে সমাজ।

ভালো কাজের আদেশ দাও কায়েম করুণ নমাজ।

নিজের মেধা মনন দিয়ে অনেক কিছু করা যায়।

আল্লাহ ও রাসুলের প্রেম পেলে তারি আরশ ধরা যায়।

পক্ষি কুল জিকির করে রহমতের নিতে ভাগ।

ওগো ঘুমন্ত বান্দা নামাজ পড়তে জাগ।

আল্লামা ইসহাক হুজুর শতাব্দীর শ্রেষ্ট জাগরণ।

আল্লাহর পথে চলতে সদা করতেন সবকে আমন্ত্রণ।

আয়েশি জীবনের অভ্যাস করেনি চলেছেন ফকির বেশে।

কেউ কখনো কষ্ট দিলে ক্ষমা করে দিতেন হেসে।