সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য অপসারণের বিষয়টি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টেরই এখতিয়ার বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান নয়, তাই এনিয়ে সরকারের কিছু বলারও নেই।
শনিবার রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এখানে স্থাপিত ভাস্কর্য থাকবে কি, থাকবে না- এটা একান্তই সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, ভাস্কর্যটি যেখানে স্থাপন করা হয়েছে তা জাতীয় ঈদগাহ মাঠের পাশে। এখানে স্বকীয়তা অনুসরণ করা হয়নি। এই কারণে প্রধানমন্ত্রী তার মতামত প্রকাশ করেছেন, ইতিমধ্যে এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর ‘ভারত পাকিস্তানকে দুর্বল করার জন্য পাকিস্তান ভেঙে ছিল’- বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ বক্তব্যের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় তারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে করা প্রতিরক্ষা চুক্তির সমালোচনার জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালে তুরস্কের সঙ্গে এবং খালেদা জিয়া ২০০২ সালে চীনের সঙ্গে এ চুক্তি করেছেন। তাতে যদি দেশ বিক্রি না করা হয়, ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিতেও দেশ বিক্রি হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সামসুন্নাহার চাপা, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
