টেকনাফ টুডে ডেস্ক :
সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে।
এ সময় পুলিশের সঙ্গে প্রতিবাদকারীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।
প্রতিবাদকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এছাড়া বিক্ষোভ থেকে ঢাবির ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দীসহ অন্তত ৬ জনকে পুলিশ আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট এবং ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে বিভিন্ন ছাত্র ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভাস্কর্য পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়ে রাজু ভাস্কর্য থেকে একটি মিছিল নিয়ে হাইকোর্টের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে।
মিছিলটি ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ জল কামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
পুলিশি বাধার মুখে হাইকোর্টের মাজার গেট পার হতে না পেরে সেখানেই অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন প্রতিবাদকারীরা।
সেখান থেকে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দিয়ে তেড়ে দেয় পুলিশ। পরে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে সেখানেই বিক্ষোভ করছেন।
এদিকে, প্রতিবাদ বিক্ষোভ থেকে পুলিশি বাধার প্রতিবাদ ও ভাস্কর্য স্থাপনের দাবিতে আগামীকাল শনিবার সারাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্যটি অপসারণ করা হয়। রাত ১২টার পর ভাস্কর মৃণাল হকের তত্ত্বাবধানে মোট ২০ জন শ্রমিক ভাস্কর্যটির ভিত ভাঙার কাজ শুরু করেন।
প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় ভোরে সেটি সরিয়ে নেয়া হয়। এ সময়ও সর্বোচ্চ আদালতের ফটকের বাইরে বিক্ষোভ হয়।
