বিএনপির গাড়িবহরে হামলায় ২০ নেতাকর্মী আহত ; চকরিয়ায় ৩ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮০জনের বিরুদ্ধে মামলা

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ২ years ago

এম জিয়াবুল হক : চকরিয়ায় বিএনপির গাড়িবহরে হামলা ও বেদড়ক পিটিয়ে অন্তত ২০ নেতাকর্মীকে আহত করার ঘটনায় চকরিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলায় চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোছাইন চৌধুরী, কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদরসহ ৫০ জনের নামোল্লেখ করে আরও ২০/৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে রোববার (১ সেপ্টেম্বর ) সকালে চকরিয়া থানায় মামলাটি রুজু করেছেন পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের বাসিন্দা আবু বক্কর নামেের এক বিএনপি নেতা।

মামলার এজাহারে বাদি আবু বক্কর জানান, গত ২৮ আগষ্ট বিকালে চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনালে ভারতের শিলংয়ে দীর্ঘ নির্বাসন জীবন থেকে ফেরা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এর গণসংবর্ধনা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সন্ধ্যার সমাবেশ থেকে গাড়িবহর যোগ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা পেকুয়ার উদ্দেশ্য ফিরছিলেন। এরই একপর্যায়ে গাড়িবহর চিরিঙ্গা বদরখালী সড়ক পেরিয়ে কেবি জালাল উদ্দীন সড়কের কোরালখালী এলাকায় পৌঁছলে স্থানীয় সাহারবিলের চেয়ারম্যান নবী হোছাইন সংঘবদ্ধ দলবল অপরাপর আসামীদের নিয়ে গাড়ী বহরে হামলা ও ভাংচুর চালায়।
এসময় তাদের মারধর ও বেদড়ক পিটুনিতে বাদী আবু বক্কর, আহমদ সফি, দিল মোহাম্মদ, তুহিন, উসমান গণি, হুবাইব, মোস্তাফিজুর রহমান আবিদ, আবু সুফিয়ান, আবু ওমর, সাইফুল আজম,তৌহিদুল ইসলাম,মোহাম্মদ হোসন, আহমদ হোসন, নুরুচ্ছফা সহ অন্তত ২০ নেতাকর্মী হয়। বর্তমানে আহত বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ( চমেক) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, সাহারবিলের কোরালখালী এলাকায় বিএনপির গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীকে মারধরের ঘটনায় এজাহার পাওয়া সাপেক্ষে মামলাটি রুজু করা হয়েছে। আসামির গ্রেফতারে শীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে।##