রিয়াজুল হাসান খোকন : টেকনাফ উপকূলীয় বাহারছড়ায় টমটম ও মিনি টমটমের বেপরোয়া দৌরাত্ব ও যত্রতত্র পার্কিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। কা নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
সূত্রমতে বাহারছড়ার সবচেয়ে বড় হাট বাজার শামলাপুর বাজার। ছোট্র এই বাজারের রাস্তার দুই প্রান্তে অবৈধ টমটম ও মিনি টমটম পার্কিংয়ের কারণে সারাক্ষণ জানজট লেগে থাকে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ছোট্ট এই বাজারের এক পাশ থেকে আরেক পাশ গাড়ি নিয়ে যেতে আধা ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগে। অথচ এই অবৈধ টমটম ও মিনি টমটম গুলো যত্রতত্র রাস্তার দুই পাশে পার্কিং না করলে এই বাজার পার হতে সময় লাগত মাত্র দুই মিনিট। মেরিন ড্রাইভ সড়কের সুবাদে প্রতিদিন শামলাপুর দিয়ে অনেক এনজিওর গাড়ি চলাচল করে সাথে বিভিন্ন পর্যটকদের গাড়িও। কিন্তু অবৈধ এই টমটম ও মিনি টমটমের অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে প্রতিনিয়ত সবার থেকে যানজট নামে মানসিক যন্ত্রণার শিকার হতে হয়।
অন্যদিকে এই অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করে একটি বড় সিন্ডিকেট। কেউ অবৈধ পার্কিং ও সরকারী রাস্তা দখলের প্রতিবাদ করলে তাকে বড় ধরণের হুমকির সম্মুখীন হতে হয় বলে অনেকের অভিযোগ। তাই এখন শামলাপুর বাজারে রাস্তা দখল করে পার্কিং ও যানজট সৃষ্টি নিত্যদিনের স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অনেকে দুঃখ করে বলেন। প্রশাসন থাকতে কিভাবে এই অবৈধ যানবাহন বেপরোয়াভাবে চলে ও চলাচলের রাস্তা দখল করে তার কোনো সদূত্তর নেই কারো কাছে। ফলে শামলাপুরসহ পুরো বাহারছড়ার জনগণ বিভিন্ন অফিসগামী লোকজন ও পর্যটকরা প্রতিদিন যানজট নামক মানসকি যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে। এই অবৈধ যানবাহন থেকে একটি সিন্ডিকেট প্রতিদিন নির্দিষ্ট অংকের টাকা মাসোহারা নেয়। যার ফলে প্রশাসনের বাধাবিহীন এই অবৈধ যানবাহন বেপরোয়াভাবে চলাচল করে। অন্যদিকে কম বয়সী শিশু চালকদের কারণে ঘটছে নানা দূর্ঘটনা। এই শিশু চালকরা বুঝেনা রাস্তার কোনো আইন কানুন।
তাই এই বাজারের ব্যবসায়ীরা এসব নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
