বাহারছড়ার মৌলভী আবদুল হক মু্ক্ত : প্রবাসের লেনদেনের ঘটনায় অপহরণের ঘটনা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৯ years ago

নিজস্ব প্রতিবদেক, শামলাপুর :
বাহারছড়ার মৌলভী আবদুল হক কে ছেড়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা। শনিবার বিকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয।
মৌলভী আব্দুল হক শনিবার রাতে জানান, তাকে গত শনিবার দুপুরে অপহরণের পর গহীন পাহাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চোখ বেঁধে সারারাত-সারাদিন রাখার পর রোববার বিকালে ছেড়ে দেয়। অপহরণকারীরা সংখ্যায় ১০-১৫ জনের মতো ছিল।
বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মৌলভী আজিজ উদ্দিন, স্থানীয় মেম্বার আইয়াজ কোম্পানী ও টেকনাফের ব্যবসায়ী দিদারের তৎপরতায় অপহরণকারীরা তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, বছর খানেক আগে সৌদি আরবে থাকাকালীন এক মিয়ানমার নাগরিকের সাথে (বর্তমানে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকায় বসবাসকারী) সেখানে তার কয়েক কোটি টাকার লেনদেনের ঘটনায় টাকা ফেরত না দিতে তাকে অপহরণ করা হয়। পরে বিকালে লেঙ্গুরবিল এলাকায় এ সংক্রান্ত এক শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মৌলভী আজিজ উদ্দিন, স্থানীয় মেম্বার আইয়াজ কোম্পানী ও টেকনাফের ব্যবসায়ী দিদারের মধ্যস্ততায় উক্ত বৈঠকে লেনদেনের বিষয়টি ফায়সালা হয় বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য গত শনিবার দুপুরে টেকনাফ বাহারছড়ার শামলাপুর মন্তলীয়া গ্রামের মৌলভী আবদুল হক (৫৫) অপহৃত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। অপহৃত মৌলভী আবদুল হকের স্ত্রী জানান আমার স্বামী ৩১ মার্চ দুপুরে মন্তলীয়া মজজিদে নামায পড়তে যাওয়ার সময় মজজিদের সামনে দুইটি নোহা গাড়ি থেকে হঠাৎ দশ থেকে বার জন লোক সতস্ত্র অবস্থায় নেমে কিছু বুঝে উঠার আগে আমার স্বামীকে অপহরণ করে গাড়িতে তুলে টেকনাফের দিকে নিয়ে যায়, এসময় মজজিদে আসা লোকজন ধরধর বলে চিৎকার করলেও অপহরণকারী গাড়ি নিয়ে খুব দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়, পরে আমি আমার স্বামীর সন্ধান পেতে টেকনাফ মডেল থানায় একটি জিডি করি, তবে অপহরণের দশ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও আমি এখনো স্বামীর কোনো সন্ধান পাইনি।
অন্যদিকে এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত বড়ুয়া জানান মৌলভী আবদুল হকের স্ত্রী তার স্বামী অপহরণের ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে, ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য থানার এক অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।