প্রকাশিত সংবাদে মো. ইসহাক এর ব্যাখ্যা : সরকারী জমি দখল করে থাকলে আমার খতিয়ানের জমিটি কোথায় !

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

গত ২৭ ফেব্রুয়ারী বুধবার অনলাইন নিউজ পোর্টাল কক্সবাজার নিউজ ডটকমে প্রকাশিত “টেকনাফে প্রকাশ্যে দখল হচ্ছে সরকারী জায়গা” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে সরকারী জায়গা দখলের অভিযোগ আনা হয়েছে। যাহা আদৌ সত্য নই। প্রকৃতপক্ষে আমি আমার ক্রয়কৃত খতিয়ানভূক্ত জমির উপর নির্মাণ কাজ শুরু করি, কোন সরকারী জমির উপর নই।

এ প্রসঙ্গে আমার বক্তব্য ও ব্যাখ্যা নিম্নে তুলে ধরা হলো।

টেকনাফ মৌজার আর এস ৮১৫, ৫৭০ ও বিএস ৮১৮ নং খতিয়ান মালিক ওয়ালী আহমদের লোকান্তরে তৎওয়ারিশ শব্বির আহমদের নিজ নামের ২৮২৯ নং খতিয়ানের ১.৩৪ শতাংশ জমি গত ২৪/০৯/২০১৩ ইং তারিখে ২২১২ নং কবলামুলে ওয়ারিশগনের নিকট হতে ক্রয় করি। পরবর্তীতে উক্ত জমির দিয়ারা নামজারী চুড়ান্ত হয় আমার নামে। যার সৃজিত খতিয়ান নং-৩৫৪৫। এভাবে খরিদাসূত্রে ১.৩৪ শতাংশ জমির প্রকৃত মালিক হই আমি। যার বিপরীতে যথারীতি সরকারী খাজনাও পরিশোধ করি। এছাড়া টেকনাফ পৌরসভা হতে হোল্ডিং প্রদান করা হয় যার বিপরীতে পৌরকর পরিশোধ করি।

তারই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগে বিদেশ ফেরত বড় ভাইয়ের আর্থিক সহযোগীতায় আমার মালিকানাধীন উক্ত জমিতে ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করি। এতে ইর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল শুরু থেকে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারা এটিকে কখনো সরকারী জমি আবার কখনো সুপারী বাজার বলে অপপ্রচার চালাতে থাকে। প্রকৃতপক্ষে সরকারী জমি ও সুপারী বাজার যথাস্থানে রয়েছে আর খতিয়ানভুক্ত আমার নিজ মালিকানাধীন জমির উপর আমার অবস্থান রয়েছে।

উক্ত সংবাদের প্রতিবেদকের কাছে আমার প্রশ্ন আমি যদি সরকারী জমি দখল করে থাকি তাহলে আমার ক্রয়কৃত ৩৫৪৫ নং খতিয়ানের জমিটি কোথায়!

কাজেই উক্ত সংবাদে ভূমি প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হতে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। কেননা উপরোল্লেখিত প্রক্রিয়ায় ভূমি অফিসই আমাকে উক্ত জমির চুড়ান্ত মালিকানা প্রদান করেছে।

প্রতিবাদকারী
মো. ইসহাক
অলিয়াবাদ, টেকনাফ।