নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের রেইন কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় সোমবার দুপুরে নির্বাচনী প্রচারণাকালে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের হামলায় নৌকা প্রতীকের তিন কর্মী আহত হওয়ার ঘটনায় চকরিয়া থানায় মামলা করেছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়রপ্রার্থী আলমগীর চৌধুরী। মামলায় স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী জিয়াবুল হক ছাড়াও তাঁর ১৭জন কর্মী-সমর্থককে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে মামলাটি রুজু হবার পর গতকাল মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নারিকেল গাছ প্রতীকের স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী জিয়াবুল হকের পক্ষে তাঁর কর্মী-সমর্থকরা উল্লেখিত মামলাটি ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা দাবি করে অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। এদিন বিকালে কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল সহকারে চকরিয়া উপজেলা পরিষদে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভা নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রির্টানিং কর্মকর্তা সৈয়দ সামসুল তাবরীজের হাতে স্বারকলিপি জমা দিয়েছেন।
এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মেয়রপ্রার্থী জিয়াবুল হকের পক্ষে তাঁর বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। এসময় লিখিত বক্তব্য দেন মেয়রপ্রার্থী জিয়াবুল হকের খালাতো ভাই ক্লোজআপ ওয়ান তারকা আরমান, চকরিয়া আইনজীবি সমিতির সভাপতি হাবিব উদ্দিন মিন্টু। এসময় সেখানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নারিকেল গাছ প্রতীকের বিপুল কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চকরিয়ার মাটি ইতোমধ্যে উত্তপ্ত। একটি মহল একের পর এক ষড়যন্ত্র করে নির্বাচন বানচালে ব্যস্ত। তাদের উদ্দেশ্যে নির্বাচনের পরিবেশক ঘোলাটে করে সুষ্ঠ পরিবেশ নষ্ঠ করা, বিরোধী প্রার্থীকে হামলা-মামলার মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরিয়ে ভোট ডাকাতি করে জয়লাভ করা।
মুলত এরই অংশহিসেবে নাগরিক কমিটির মনোনীত মেয়রপ্রার্থী জিয়াবুল হকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাটি করা হয়েছে। পৌরসভার জনগণ এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাখান করেছে। কারণ এই ঘটনার সাথে জিয়াবুল হকের কোন সম্পৃক্ততা নেই।
প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পৌর নির্বাচনে সবপ্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করে একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করুন। আর যদি পাতানো নির্বাচনের নামে প্রহসন মঞ্চস্থ করা হলে জনগণকে সাথে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে। #
