পুর্ববড় ভেওলা ইউপির ৬টি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কাটছে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়া উপজেলার উপকুলীয় অঞ্চলের একটি ইউনিয়ন পুর্ববড় ভেওলা। আর এই ইউনিয়নের অবহেলিত একটি জনপদের নাম কদ্দাছড়া। বছরের বারোমাস কদ্দাছড়ার চারপাশে থাকে হাটু সমান পানি। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো ততটা উন্নতি ঘটেনি।
অবশ্য দুইবছর আগে চকরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর (পিআইও) বিভাগের অধীনে সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদ ও পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদ যৌথভাবে কদ্দাছড়া খালের উপর একটি পাকা সেতু নির্মাণ করেন। সেই থেকে পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের কদ্দাছড়াবাসি চলাচলে একটু উন্নত জীবন পেলেও এলাকার ভেতরের অংশের গ্রামীণ সড়কগুলো রয়েছে ভগ্নদশায়।
অভিযোগ উঠেছে, উন্নয়ন বঞ্চিত কদ্দাছড়া জনপদে বেহালদশায় পরিণত হওয়া গ্রামীন সড়কগুলো ভেঙ্গে একেবারে নাজুক অবস্থা তৈরী হয়েছে। বিশেষ করে গ্রীস্মকালে জনসাধারণ কিছুটা স্বস্থিতে চলাচল করতে পারলেও বর্ষামৌসুমে হাটু কিংবা কোমড় সমান কাদামাটি পেরিয়ে গ্রামীণ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এলাকাবাসির দাবি, কদ্দাছড়া লাল মসজিদের সামনে হয়ে যে রাস্তাটি সালেহ নগরে গেছে সেই রাস্তাটির বেহাল দশা চরমে। গাড়ি চলাচল তো দুরের কথা মানুষ চলাচলও প্রায় কষ্ঠসাধ্য। এই একটি রাস্তা দিয়ে পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের হাসপাড়া, মুবিনপাড়া, পশ্চিম সিকদারপাড়া, ফজুমিয়াজির চর, বানিয়ারচর ও চরপাড়াসহ আশে-পাশ এলাকার হাজারো মানুষ প্রতিদিন যাতায়ত করেন। কিন্তু রাস্তাটির বেহালদশার কারণে সর্বসাধারণকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দিনের পর দিন।
আশার কথা হচ্ছে, ইউনিয়নের অবহেলিত জনপদ কদ্দছড়া ও আশে-পাশের এলাকার মানুষের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন কৃষকলীগের সদ্য নির্বাচিত সভাপতি কামরুজ্জামান সোহেল। যিনি ইতোমধ্যে নিজের অর্থায়নে মাটি দিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার অংশের সড়কের বিভিন্নস্থানে মেরামত করে দিয়েছেন।
এলাকাবাসি জানিয়েছেন, তরুন সমাজকর্মী কামরুজ্জামান সোহেল বরাবরেই ভালো কাজে অংশিদার হন। তিনি ব্যক্তিগত তহবিলের অর্থায়নে সড়ক মেরামত করে দিয়েছেন। তারআগে ভেজাল বীজ বিক্রি করে এলাকার কৃষকদেরকে আর্থিক ক্ষতিসাধারণের ঘটনায় বীজ কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। এমনকি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের নিয়ে তিনি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্বারকলিপি দিয়েছেন। উপজেলা সদরে করেছেন বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। এক কথায় কামরুজ্জামান সোহেল মানবিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। গরীব মানুষের বিপদে-আপদে সবার আগে ছুটে যান। ##