নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে করোনা ভাইরাস রোধে বিজিবির সর্তকতা অবস্থায় টহল জোরদার

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

শামীম ইকবাল চৌধুরী : বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন সীমান্তে করোনা ভাইরাস রোধে ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সতর্কাবস্থায় টহল জোরদার রয়েছে।
গত ৩১ মাচ মঙ্গবার সন্ধ্যায় সীমন্তে স্থানিয়রা জানান, মিয়ানমার থেকে কেউ যাতে অবৈধ পথে করোনা ভাইরাস বহনকারী যেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য বাড়ানো হয়েছে চৌকি আর জোরদার করেছে বিজিবির টহল। তার পাশাপাশি বিজিবি জোয়ানদের সচেতনামূলক নির্দেশনা গুলো আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চেষ্টা করছি। পরিষ্কার-পরিচন্ন থাকার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ডাল,চাল,তৈল,পিয়াঁজ ইত্যাদি বিজিবি জোয়ানেরা দিয়ে গেছেন।

বিজিবি সুত্র জানায়,দেশে সম্প্রতি করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে বিজিবিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। রাতে সীমান্ত এলাকায় লোকজনদের অকারনে চলাচলের উপর বিধি নিষেধ দেয়া হয়েছে।নাইক্ষ্যংছড়ি ১১, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের অধীনে সীমান্ত বিওপি এলাকায় বিজিবি টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা দিতে বিজিবি সদস্যরা মাস্ক, হ্যান্ড সেনিটাইজার ও হ্যান্ড গ্লাবস হাতে দিয়ে টহল দিচ্ছে।
এছাড়া সীমান্তের বিওপি গুলোর বসবাসরত মানুষগোলোকে নিত্যপ্রয়োজনী খাদ্যদ্রব্য ও সুরক্ষিত থাকার জন্য সাবান,মাক্স,সেনিটেজার,হ্যান্ডগ্লাবক্সসহ প্রতি সন্ধ্যায় নিরাপদ থাকার বিষয় নিয়ে সচেতনামূলক মাকিং করা হচ্ছে।
আর এদিকে,সীমান্তে বিজিবির চৌকি গুলোতে রাতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। মিয়ানমারে বসবাসরত কেউ যাতে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে নাইক্ষ্যংছড়ি -রামু সড়কের জারুলিয়াছড়ি প্রবেশ মূখে এবং সীমান্তের বিভিন্ন ঝুকিপূর্ণ এলাকা গুলোতেও বিজিবির চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি ১১, বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্নেল আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, করোনা সংক্রমন নিয়ে মিয়ানমার থেকে যাতে কেউ অবৈধ পথে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় টহল ব্যবস্থা জোরদার এবং তার পাশাপাশি সীমান্তের মানুষ গুলো সুরক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের বিজিবির পক্ষথেকে মাক্স,সাবান,চাল,ডাল,পিয়াঁজ, হ্যান্ডগ্লাবক্স ও সেনিটেজার ইত্যাদি দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বুঝে ক্রমন্বয়ে সীমান্তের লোক গুলোকে নিত্যপ্রয়োজনী ও সুরক্ষার পন্য বাড়িয়ে দেওয়া চেষ্টা করবো।