নয়াপাড়া ক্যাম্পে নৃশংস হ-ত্যা-কা-ন্ডের ঘটনায় বিশেষ মহলের ইন্ধনে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে জড়ানোর অভিযোগ!

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ২ years ago

বার্তা পরিবেশক : টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড শরণার্থী ক্যাম্পে স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্তদলের হাতে নৃশংস খুনের ঘটনায় বিশেষ মহলের ইন্ধনে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে হত্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তভোগী ব্যক্তি প্রকৃত ঘটনা তদন্ত স্বাপেক্ষে নিরীহ ব্যক্তিকে হয়রানি হতে মুক্তি দেওয়ার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা যায়,গত ১১মে সকাল সাড়ে ৭টারদিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউপির মোচনী নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের ডি-ব্লকের বটতলী খলিফা ছলিমের দোকানের সামনে ই-ব্লকের ৯৭৩/৬নং শেডের এমআরসি নং-৬৮৩৩৪ এর বাসিন্দা মৃত আমির হামজার পুত্র মোহাম্মদ আলম (৫২) কে একদল স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্ত দল কথা কাটাকাটির জেরধরে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে মোহাম্মদ আলম মারা যায়। মৃতদেহ পোস্টমর্টেম শেষে দাফনের পর ১২মে মরহুমের ভাই শফি আলম (৩৪) বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এতে নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের সি-ব্লকের শেড-৮৯৪/২, এমআরসি নং-৩৫০৫৬ নং এর বাসিন্দা দিল মোহাম্মদের পুত্র মোঃ শফি প্রকাশ শফি ডাকাত (২৫) কে ১নং আসামী এবং ব্লক-বি, শেড নং-৭৫৩/৫, এমআরসি নং-২০২৪৮-বি এর বাসিন্দা কালা মিয়ার পুত্র ছৈয়দ করিম (২৫) সহ ১৭জন নামীয় এবং অজ্ঞাত আরো ১০/১২জনকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়।

কিন্তু দুঃখের বিষয় উক্ত মামলায় ৩নং আসামী হিসেবে কক্সবাজারে বসবাসরত হ্নীলা দক্ষিণ আলীখালী ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিল মোহাম্মদ প্রকাশ বেইঙ্গার পুত্র রবি আলম (৩৩) কে ৩নং আসামী হিসেবে উক্ত মামলায় জড়ানো হয়েছে। সে জানান, উক্ত ঘটনায় বাদী-বিবাদী কোন পক্ষের সাথে আমার কোন ধরনের পরিচয় ও যোগাযোগ ছিলনা। পূর্ব শত্রুতাবশত এলাকার বিশেষ মহলের ইন্ধনে আমাকে পরিকল্পিতভাবে এই নৃশংস হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সময় আমি কোথায় ছিলাম কি করছিলাম তা ভিডিও ফুটেজে সংরক্ষিত রয়েছে। আমি যেকোন ধরনের অপরাধের সুবিচার হোক তা কামনা করি কিন্তু কোন কুচক্রীমহল যাতে স্বার্থ হাসিলের জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংগঠিত অপরাধের মামলায় নিরীহ কোন মানুষকে হয়রানিতে ফেলে সর্বশান্ত ও ঘরহারা করুক তা চাইনা। আমি ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিকার চেয়ে সরকারের উর্ধ্বতন মহল ও দপ্তরে আবেদন করেছি।

এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে এই নৃংশস ঘটনায় যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরীহ মানুষকে হয়রানি থেকে রক্ষা করার জন্য টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ, উখিয়া সার্কেল ও কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী এবং তার পরিবার। ###
You sent