সাইফুল ইসলাম : টেকনাফ পৌরসভার সম্মানিত মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম ব্যক্তিগত তহবিল থেকে হাজার মানুষকে ত্রাণ দিলে নিউজ ও ভাইরাল হবে না। অথচ তিনি এই দূর্যোগে তাঁর পৌরসভার সকল মসজিদের ইমাম,মুয়াজ্জিন, হিন্দু বৌদ্ধসহ অনেক অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন নিজের ব্যক্তিগত ও পৌরসভার পক্ষ থেকে। যা কিন্তু অবশ্যই প্রশংসার দাবী রাখে।
আর অন্যরা দশজন থেকে চাঁদা সংগ্রহ করে ত্রাণ দেন নিজের নামে ছবিযুক্ত পোস্ট দেন। কী দেখাতে চান আপনারা? নিজেদেরকে বিশাল দানবীর ও বড় মাপের রাজনীতিবীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান! এখন আধুনিক যুগ মানুষ সব বুঝে! এই দূর্যোগে অসহায় মানুষেরা ত্রাণ নেবে ঠিকই মাগর মনের আয়নায় আমাকে ও আপনারকে ঠিক উল্টোভাবে গেঁথে রাখবে কিন্তু।
আমরা এমন জাতি শুধু সমালোচনার স্বার্থে সমালোচনা করি।আর এটা আমাদের সমাজের কিছু মানুষের অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা জায়েজ।
এই জাতীয় দূর্যোগে আমরা সমালোচনা বাদ দিয়ে সহযোগিতা,সহানুভূতি, সহমর্মিতা ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দি। আগে বাঁচি তারপর সমালোচনা করব। আমরা সমালোচনা বাদ দিয়ে যদি পারতপক্ষে একজন অসহায় প্রতিবেশীকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দি তাহলে আল্লাহর ধরা থেকে অন্তত বাঁচব।
সবাই টাকা ও নিত্যপণ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে তা কিন্ত না। অনেকে ত্রাণ দিয়ে,অনেকে কথা দিয়ে আবার অনেকে মানবিক দিক বিবেচনা করে শ্রম দিয়ে সাহায্য ও সহযোগিতা করবে। মানুষ হিসেবে আমাদের এগুলো করা উচিত নয় কী? সমাজে সবাই কোটিপতি নয়। আবার অনেক কেটিপতির কিন্তু মানবিক মনও নাই।
আসুন আমরা সবাই একযোগে করোনা নামক মরণব্যাধি থেকে রক্ষা পেতে মহান আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলি। সমালোচনা বাদ দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়। তা এককভাবে হউক বা সমষ্টিগতভাবে হউক।
লেখকঃ সাইফুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক।
