নিজস্ব প্রতিবেদক : হোয়াইক্যং পাহাড়ি জনপদে একটি দূবৃর্ত্তচক্র স্বশস্ত্র অবস্থায় রাতের অন্ধকারে পাহাড়ে বনায়নের নার্সারীতে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করে লক্ষাধিক চারা গাছ ঝলসে দিয়ে নষ্ট করেছে। এতে পাহাড়ের ঝোপঝাঁড় পরিস্কার, বনায়নের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং বিশাল নার্সারীর লক্ষাধিক বনজ গাছসহ ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
সরেজমিনে ৬জুন (সোমবার) সকালে উপজেলার হোয়াইক্যং ৯নং ওয়ার্ড কম্বনিয়া পাড়ায় সাবেক মেম্বার আবুল কাশেমের পুত্র দেলোয়ার হোছনের তত্তাবধানে সৃজিত পাহাড়ি বনায়নের জন্য লক্ষাধিক চারার নার্সারী তৈরী করে। ভোররাতে কে বা কারা বনের আগাছা পরিষ্কারের বিষ প্রয়োগ করে পুরো নার্সারীর চারাগাছ ঝলসে দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। স্থানীয় জনসাধারণ ভয়ে এসব অপরাধীদের নাম প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে। যা ব্যক্তি,পরিবারের চেয়ে গাছের সাথে শত্রæতার শামিল। যা খুবই দুঃখজনক। এতে নার্সারী মালিকের সর্বসাকুল্যে ৬লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
নার্সারীর মালিক দেলোয়ার হোছন জানান, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এই অমানবিক, ঘৃণিত ও ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে জানিনা। তবে আমার মনে হয় সাম্প্রতিক পারিবারিক জমিজমা বিরোধ নিয়ে একটি মহল কৌশলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। আমার মনে হয় এই জাতীয় লোকজন ছাড়া পাষানের মতো কাজ কেউ করতে পারেনা।

টেকনাফ উপজেলা গ্রীন এনভায়রনমুভমেন্ট সভাপতি তারেক মাহমুদ রনী জানান, বর্তমানে জলবায়ু বিবর্তনের ফলে পরিবেশ ক্রমশ দূর্বিষহ হয়ে উঠছে। যা মোকাবেলায় বনায়ন সৃষ্টির বিকল্প নেই। বনায়ন সৃষ্টির জন্য সৃজিত নার্সারীর চারাগাছের উপর বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার করে ধ্বংস করা খুবই নিন্দনীয় এবং দুঃখজনক। সংশ্লিষ্ট এলাকার বনকর্মী এবং স্থানীয় প্রশাসন চাইলে প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করা সম্ভব। এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির পদক্ষেপ নিতে হবে।
এলাকার সচেতনমহল মনে করেন, লোক সমাজে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানুষের মধ্যে বিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমান সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বনায়ন সৃজন করার মতো ঘটনায় শত্রæতা হাসিল খুবই দুঃখজনক। এই ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা দরকার। ###
