টেকনাফে ২০টি পাহাড়ি পয়েন্টে মালটা চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

জসিম উদ্দিন টিপু : টেকনাফে প্রথমবারের মত পাহাড়ে মাল্টা চাষ করা হয়েছে। চাষে মাল্টার ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। ফলন ভাল হওয়ায় উপজেলার পাহাড়ী এলাকার কৃষকরা এখন মাল্টা চাষের চিন্তা-ভাবনা করছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতায় উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, বাহারছড়া এবং সদর ইউনিয়নে ২০টি এলাকায় মাল্টার প্রদর্শনী করা হয়েছে। প্রকৃত কৃষকদের দিয়েই এসব প্রদর্শনী করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, প্রদর্শনী গুলোতে মাল্টার আশানুরূপ ফলন হয়েছে। সময়মত পরিচর্যা করলে ফলন আরো ভাল হত বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে। বিগত ২০১৩-২০১৪ সনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে টেকনাফে পরীক্ষামূলকভাবে কৃষকরা মাল্টার আবাদ শুরু করেন। ভারী মাল্টা-২ জাত,চাষে কৃষকরা সফলতা পেয়েছেন। ভারী মাল্টা-২ রোপনের ৩বছরের মধ্যে ফলন দেয়। টেকনাফের এসব প্রদর্শনীতে উৎপাদিত মাল্টার সাইজ বড় বলে কৃষকরা জানায়।

উপজেলার হোয়াইক্যংয়ের লম্বাঘোনা এলাকার কৃষক বাবু কিং তঞ্চঙ্গা পাহাড়ী জমিতে মাল্টা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। তিনি ৪০শতক পাহাড়ী জমিতে মাল্টা এবং কমলার চাষ করেছেন। ৬০টি মাল্টা এবং ২০টি কমলার চারা রোপন করেছেন উক্ত জমিতে। উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়া চৌকিদার পাড়ার শাহাজান বাঙ্গালী জানান,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতায় মাল্টা প্রদর্শনী করে ভাল ফলন পেয়েছি। তিনি ওই প্রদর্শনীতে একশ’টি মাল্টার চারা রোপণ করেন।

উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, টেকনাফের মাটি ও পরিবেশ মাল্টা চাষের জন্য বেশ উপযোগী। টেকনাফের পাহাড়ী পতিত জমিতে মাল্টা চাষ করা যেতে পারে জানিয়ে তিনি আরো বলেন,কেউ মাল্টা চাষে উদ্যোগী হলে তাদেরকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কারিগরী সহায়তা দেওয়া হবে। #