টেকনাফে হোয়াইক্যংয়ের মামুনদের জীবনই পাল্টে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : অজপাড়ার এক কিশোরের পাঠানো খুদে বার্তার প্রতিও (এসএমএস) গুরুত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সেই গুরুত্বের কারণে পাল্টে গেল কিশোর মামুনদের পরিবার। টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের কাটাখালী গ্রামের রিকশাচালক ও মামুনের বাবা রমজান আলী (৪৫) এখন বিশ শতক জমির মালিক। সেই জমিতে করা হয়েছে পাকা বাড়িও।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, মাস দেড়েক আগে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে তাঁকে ঘটনাটি জানানো হয়। টেকনাফ সীমান্তের মামুন (১৭) নামের এক কিশোর প্রধানমন্ত্রীর মোবাইল ফোনে একটি খুদে বার্তা পাঠায়। মামুন প্রধানমন্ত্রীকে লিখেছিল, ‘আমাদের কোনো জমিও নেই, ঘরও নেই। আপনার সহযোগিতা চাই।’

জেলা প্রশাসক জানান, এই বার্তা পাওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। এরপর জেলা প্রশাসক বিষয়টি টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানান। ইউএনও তখন মামুন নামের ওই কিশোরকে খুঁজে বের করেন।

কিশোর মামুন জানান, তাঁরা পাঁচ ভাই-বোন। তাঁদের নিজেদের কোনো জমি কিংবা ঘর নেই। বন বিভাগের জমিতে বাস তাঁদের। মামুন একটি দোকানে কাজ করতেন। মহামারির কারণে সেই কাজও হারাতে হয় তাঁকে। এরপর বিষয়টি তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান।

ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে রিকশাচালক রমজান আলীকে কেরুনতলী এলাকায় ২০ শতক খাস জমি ইজারা দেওয়া হয়েছে। তাঁর নামে জমির দলিল এবং খতিয়ানও করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরের চাবিসহ দলিল হস্তান্তর করেন।

সুত্র : দৈনিক কালের কণ্ঠ