হুমায়ূন রশিদ / জিয়াউল হক জিয়া : টেকনাফের রইক্ষ্যং পুটিবনিয়া ক্যাম্পে পাওনা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরধরে এক রোহিঙ্গার দার কোপে অপর রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে।
জানা যায়, ৩রা জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টারদিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ঊনছিপ্রাংস্থ রইক্ষ্যং পুটিবনিয়া ক্যাম্পের নারী বান্ধব কেন্দ্রের পেছনের দোকানে বসে বি-২ ক্যাম্পের ১৩২১নং রোমের বাসিন্দা আলী আহমদের স্ত্রী বোন হাছিনার বাড়িতে গত ৫মাস পূর্বে বালুখালী ক্যাম্প হতে বেড়াতে আসা বি-২ ক্যাম্পের ১৩০৭নং রোমের বাসিন্দা মোঃ আলমের পুত্র আবু তৈয়ব (৩৫) কয়েকজন লোকের সাথে বসে আলাপ করছিল। এমতাবস্থায় ডি-৩ বøকের ১৬৪৬নং রোমের বাসিন্দা রশিদ আহমদের পুত্র ছৈয়দুল আমিন (৩০) একটি ধারালো দা নিয়ে পেছন থেকে এসে গলার পেছনে উপরাংশ দিয়ে স্বজোরে কোপ মেরে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উপস্থিত রোহিঙ্গারা ধাওয়া করে ঘাতক ছৈয়দুল আমিনকে ধরে ফেলে এবং রক্তাক্ত আবু তৈয়বকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এই ঘটনার খবর পেয়ে হোয়াইক্যং ফাঁড়ির আইসি নাজমুল আলম সর্ঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীর পর মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণের জন্য উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এদিকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের হাতে ধৃত ঘাতক কোথায় কি অবস্থায় রয়েছে তা জানা যায়নি।
এই বিষয়ে হোয়াইক্যং ফাড়ির আইসি নাজমুল আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,গতকাল আবু তৈয়ব ঘাতক ছৈয়দুল আমিনের নিকট পাওনা ১২শ টাকা চাওয়ায় তাদের দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি এবং গালমন্দের সুত্রপাত হয়। হয়তো এরই সুত্রধরে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। সাধারণ রোহিঙ্গারা পাওনা টাকা নিয়ে এই ঘটনার সুত্রপাত বলে মন্তব্য করতে শোনা গেছে।
এদিকে উক্ত ক্যাম্পের একাধিক সুত্রের দাবী, এই ক্যাম্পের বেশীর ভাগ নারী-পুরুষ মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে সম্পৃক্ত। দূর্গম এলাকা হওয়ায় এই ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের অপকর্ম অন্ধকারে রয়ে যায়। ###
