বিশেষ প্রতিনিধি : টেকনাফে সদর ইউনিয়নের উত্তর লম্বরী হযরত ফাতেমা (রাঃ) আদর্শ বালিকা ও নুরানী মাদরাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই মাদ্রাসার এক ছাত্রকে ব্লেড দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল বুধবার বিকেলে ক্লাস চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় আহত আরশাদ আমিন কে (৬) উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
আহত ছাত্রের পিতা আব্দুল আমিন জানান, সাপ্তাহ খানেক আগে আমার ছেলেকে চুল কেটে দিয়েছি। তার পরেও চুল কাটার প্রয়োজন হলে আমি কেটে দিতাম। ধারণা করা হচ্ছে অভিযুক্ত শিক্ষক চুল কাঁটার ভানকরে পরিকল্পিত ভাবে আমার সন্তানকে ব্লেইড দিয়ে আঘাত করেছে। এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
স্থানীয়রা জানায়, এর আগে ১৪ এপ্রিল দিবাগত রাতে অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে মাছ শিকারে গিয়ে একই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের রিদওয়ান (৮) নামের এক ছাত্রের মস্তক বিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সড়ক দূর্ঘটনায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছিলো বলে ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অভিবাবকদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় এই মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেত্রাঘাতে শিক্ষার্থীরা আহত হওয়ার অহরহ অভিযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা থেকে বিরত থাকার মৌখিক অঙ্গীকার দিয়ে তারা বারবার ছাড়া পেয়ে যান।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক জানান, মাথাচুল ফেলতে গিয়ে নড়াচড়া করার কারনে হালকা ব্লেডের আচঁড় লেগেছে। এই ঘটনায় তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেন।
মাদরাসার পরিচালক ওমর ফারুক জানান, চুল কাটতে গিয়ে এক ছাত্র মাথায় ব্লেডের অঘাত প্রাপ্ত হয়েছে বলে শুনেছি। তৎক্ষনাত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
