বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফে গহীন পাহাড় থেকে নিখোঁজ যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের পর পোস্টমর্টেম শেষে দাফন করা হয়েছে। এই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে ১টি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
১৯ মার্চ বাদে আছর টেকনাফের হোয়াইক্যং পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা নামাজ শেষে কম্বনিয়া পাড়ার আব্দুল গফুরের ছোট ছেলে আবছার উদ্দিন (২২) কে স্থানীয় কবর স্থানে দাফন করা হয়েছে। গত ১৮মার্চ দুপুরের দিকে টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলীয় ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড হলবনিয়া গর্জন ছড়ার মুখ থেকে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রর ইন্সপেক্টর নুর মোহাম্মদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এবং জনসাধারণ মিলে আবছার উদ্দিনের দারকোপে রক্তাক্ত এবং আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করে টেকনাফ মডেল থানায় নেওয়া হয়। রাতেই এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামী করে ১টি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ১৯ মার্চ সকালে মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য কক্সবাজার মর্গে প্রেরণ করা হয়। বিকালে পোস্টমর্টেম শেষে বাড়িতে এনে দাফন করা হয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, পাহাড় হতে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে হোয়াইক্যং ফাঁড়ির আইসি এসআই জায়েদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিহতের পরিবার সুত্র জানায়,গত ১৭মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টারদিকে কম্বনিয়াপাড়ার জনৈক আব্দুল গফুর,তার ছেলে নুর হাশেম এবং আনোয়ার হোসেনসহ আরো একজন গফুরকে নিয়ে মহিষ দেখার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। ফিরে আসা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,গভীর পাহাড়ে কয়েকজন অজ্ঞাত লোক তাদের গতিরোধ করে এবং আবছারকে অস্ত্রেরমুখে জিম্মি করে পাহাড়ের দিকে নিয়ে গেলে আমরা প্রাণ ভয়ে ফিরে এসে আবছারের পরিবারকে বিষয়টি জানায়। এরপর থেকে আবছারের কোন খবর না পেয়ে বাহারছড়া হলবনিয়ার গর্জন বাগান ছড়ায় রক্তাক্ত অবস্থায় আবছারের মাথায় কোপ, শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম অবস্থায় উপুড় করে থাকা মৃতদেহ পায়। তখন পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়।
পাহাড়ে স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্ত গ্রুপের হাতে নৃশংসভাবে প্রাণ হারানোর ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকন্ঠার পাশাপাশি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ###
