টেকনাফে জাল দলিল সৃজন করে রাখাইন সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত-৬ আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৪ years ago

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ টুডে :

টেকনাফে জাল দলিল সৃজন করে রাখাইন সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। এই ঘটনায় আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। অভিযুক্ত আসামীরা হচ্ছে উথাথাউ চৌধুরী, দেলোয়ার হোসাইন, আশরাফ আলী,হাবিব উল্লাহ,সৈয়দ হোছাইন ও আবদু ছবুর।কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়। বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট সাজ্জাদ হোসেন সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আদালতের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের মে মাসে উল্লেখিত আসামিদের বিরুদ্ধে জাল জুচ্চুরি ও প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে শত বছরের পুরনো রাখাইন ওয়ারিশি সম্পত্তি কুক্ষিগত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দাখিল করেন ক্য থিন জ্য চৌধুরীর স্ত্রী খিং ওয়ান মে।আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে সিআইডি কে তদন্তের নির্দেশ দেন।সিআইডির উপ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ বজলুল করিম দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৪ আগস্ট আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এতে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় আদালত গত ২১ আগস্ট আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা দাবী করেন।

অভিযোগে আরো জানা যায়, উল্লেখ্য উল্লেখিত আসামীরা পরস্পর যোগসাজেসে গেল বছরের ২১ এপ্রিল উথাথাও চৌধুরী নামে এক ব্যক্তিকে রাখাইন জমিদার ক্যাম্রাউ চৌধুরীর ওয়ারিশ সাজিয়ে ভূয়া নাম ঠিকানায় একটি জাল দলিল সৃজন করেন টেকনাফ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে। এরপর বিভিন্নজনকে তারা সেই জমি বিক্রির দলিল করতে থাকে। এইভাবে ভাবে তারা টেকনাফ পৌরসভার উপরের বাজার এলাকার কোটি টাকা মূল্যের জমি জনা দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তারই ধারাবাহিকতায় জমির প্রকৃত ওয়ারিশগন আইন আদালতের আশ্রয় নিয়ে জমি রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এর আগে জাল দলিলের বাতিলের আরো একটি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আসামীরা জানান, যেহেতু আদালতের বিষয় তাই তারা আইনী ভাবেই তা মোকাবিলা করে যাবেন।