হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে বিজিবি জওয়ানেরা প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে আইস ও ইয়াবা বোঝাই ইঞ্জিন নৌকাসহ ৬জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে।
সুত্র জানায়,গত ১৫ জানুয়ারী রাত সাড়ে ১০টারদিকে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আশিকুর রহমান (পিএসসি) এর নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহল দল বিআরএম-৩ হতে প্রায় ৩কিঃ মিঃ দক্ষিণ-পূর্বে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর মায়ানমার হতে মাদকের একটি চালান সাগর পথে ইঞ্জিন চালিত সাম্পান নৌকার সাহায্যে বাংলাদেশে আসার গতিবিধি সনাক্ত করা হয়। সন্দেহভাজন নৌকাটি শূন্য লাইন অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরের মোহনা দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে বিশেষ দল দ্রæত জলযান ফ্যান্টমের সাহায্যে গভীর সাগরে অভিযান শুরু করে। অভিযান দলের লেঃ কমান্ডার মোঃ সাদিক রাফি দক্ষতার সাথে নৌযানটি পরিচালনা করে গভীর সাগরে নৌকাটি ধাওয়া করে মাদক পাচারকারী দলের সদস্য টেকনাফ সদর ইউপির মিঠা পানির ছড়ার নুর হাবিবের পুত্র মোঃ ফয়সাল (২০), আব্দুর রহিমের পুত্র মোঃ আরমান (২০), আব্দুল মোনাফের পুত্র মোঃ বুখার উদ্দীন (৩০), জহির আহমদের পুত্র মোঃ শফিক উদ্দিন (২০), লেঙ্গুরবিল বটতলীর ওয়াস করনীর পুত্র জসিম উদ্দিন (২১), এবং উখিয়া উপজেলার ২০নং কুতুপালং এফডিএমএন ক্যাম্পের আব্দুল সাত্তারের পুত্র মোঃ কামাল হোসেন, পিতা-আব্দুর সাত্তারসহ ইঞ্জিন সাম্পান নৌকাটি আয়ত্বে নেওয়া হয়। পরে নৌকাটি তল্লাশী করে নৌকার ভিতর হতে ২.১৩০ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, ১০হাজার ইয়াবা ও স্বল্প পরিমাণ গাঁজা পাওয়া যায়। এছাড়াও আটককৃত আসামীদের নিকট হতে ৪টি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে মাদক দায়ে নৌকাটিও জব্দ করা হয়।
টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান (পিএসসি) জানান,আটককৃত আসামীদের জব্দকৃত মাদকদ্রব্য,মোবাইল ফোন এবং নৌকাসহ নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। ##
