টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে আখ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ১ বছর আগে

বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে চলতি বছর নতুন ফসল হিসেবে আখের চাষ হচ্ছে। বর্তমানে আখের দাম ভালো থাকায় তেমন বেশি খরচ না হওয়ায় অনেকে আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছে। এই বছর আখ চাষির সংখ্যা গতবারের তুলনায় বেড়েছে। গত বছর ট্রায়াল প্লট হিসেবে আখ চাষ করে সফল হয়েছে গুটি কয়েক জন কৃষক, কৃষি বিভাগের উদ্বুদ্ধকরণ জনিত কারনে বাড়ছে অগ্রগামী আখচাষির সংখ্যা। কৃষকেরা নতুনত্ব হিসেবে বিভিন্ন হাট বাজার থেকে কাটিং সংগ্রহ করে চাষ করত এই আখ। বর্তমানে কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে চাষ করবে উইন রেড স্টেম ও ইয়েলো রংয়ের আখ।

সামনে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে চাষাবাদ করা হবে এই আখ ফসল। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আখচাষির সংখ্যা ও চাষকৃত জমির পরিমাণও বেড়েছে। আশা করি এ বছরের আগস্ট মাসে আখ কর্তন হবে । আখ বিক্রির উপযোগী হতে বছর খানেক লেগে যায়। তবে ফলন ভালো হলে চাষের খরচ ও লাভ দুটোই উঠে আসবে বলে অনেকে আশাবাদী ।সময়মতো বৃষ্টি হলে আখ পুষ্ট হয় ।
এবার লাতুরীখোলা এলাকার আখচাষি আবু তাহের বলেন, এবার তিনি ঐ এলাকায় ১৮ শতক জমিতে আখের চাষ করেছেন। এতে প্রায় ২৫ হাজার টাকামত খরচ হয়েছে। তিনি আশা করছেন তাঁর উৎপাদিত আখ এক লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ আর গুরুত্বের সাথে তদারকি করছে।

টেকনাফ উপজেলা উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, হোয়াইক্যং ইউপির কাটাখালী, পশ্চিমপাড়া, হাতিমারা, আমতলি, লম্বাঘোনা, হরিখোলা, লম্বাবিলসহ বিভিন্ন গ্রামে বিক্ষিপ্ত ভাবে এই আখ চাষ হচ্ছে। মোঃ ইসমাইল, আব্দু রাজ্জাক, আব্দু শুক্কুর,আব্দু রহমান,শামশুল আলমসহ বহু কৃষক এইবার নতুনভাবে আখ চাষ করছে। তারা বিনিয়োগকৃত মুলধনের চেয়ে লাভবান হবে বলে আশা করছেন।