টেকনাফ প্রতিনিধি: টেকনাফে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় সাত নারী পুুুরুষ গুরুতর আহত হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশে সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১ লা জানুয়ারী সকাল সাড়ে ১০ টায় হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নারী সংক্রান্ত একটি বিষয়ে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র হামলায় স্থানীয় মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে আলী আকবর (৫৩) তার ছেলে মোঃ ইব্রাহীম (২২), মোঃ আব্দুল্লাহ (২০), আদিলা (১৫), রাজিয়া আক্তার (৩৮), সৈয়দ আকবরের কণ্যা কহিনুর আক্তার (১৫) গুরুতর আহত হয়ে কক্সবাজার সদর হাসাপতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহতদের আতœীয় স্বজন জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাহাব উদ্দিন, মোঃ ফারুক, আব্দু শুক্কুর, ফরিদ আলম, নীর আহমদ, আলী আহমদ, জালাল আহমদ, মোঃ ইউনুছ, নজির আহমদ, জসিম, বেলাইয়া, মিন্ঠু সহ আরো অনেকে মিলে এ বর্বোরোচিত হামলা চালায়। তবে অভিযুক্তরা বলেন, উল্টো তাদের হামলায় নিজেরাও আহত হন।
স্থানীয় মেম্বার মোঃ শাহ আলম বলেন, নারী সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে সালিশের দিন ধার্য্য ছিল। কিন্তু বিষয়টি তারা তোয়াক্কা না করে সাহাব উদ্দিন, ফারুক ও শুক্কুর গংরা মিলে এ নৃশংস হামলা চালায়।
এ ঘটনায় সাংসদ আবদুর রহমান বদির নির্দেশে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হারুনর রশিদ সিকদার জানান, ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ ও উভয় পক্ষের লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে, তিন মাস পূর্বে নারী ঘটিত বিচারের সাক্ষী দেয়ার জের ধরে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটায়।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এসআই দীপাংকর রায় সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই সাতজন গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অপর পক্ষের বেশ ক’জন আহত হবার বিষয়টিও নিশ্চিত করেন। সেই সাথে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানান তিনি।
