বার্তা পরিবেশক : গত ৬নভেম্বর দৈনিক কক্সবাজার ৭১ পত্রিকায় প্রকাশিত “টেকনাফের হ্নীলা ইউপির মেম্বার হোছাইন আহম্মদ মোটা টাকার বিনিময়ে ভোটার করে দিয়েছে রোহিঙ্গাদের” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদের একাংশে হোছাইন আহমদের সহযোগী হিসেবে আমার নাম উল্লেখ করে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা হাসিলের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
আমি সম্মানিত পাঠক ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের সদয় অবগতির জন্য জানাতে চাইযে, উক্ত সংবাদের ৩য় প্যারায় হোছাইন আহমদ মেম্বারের সহযোগী হিসেবে টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ইয়াবা গডফাদার ও চাঁদাবাজ উপাধি দিয়ে আমি ছাবের খানের নাম দেওয়া হয়েছে। টেকনাফে বসবাস করলে এমন উপাধি দিয়ে কলংকিত করার চেষ্টা করা হলেও আমি সদয় অবগতির জন্য বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধে কি মাদক মামলা অথবা চাঁদাবাজির মামলা আদৌ আছে। চৌকিদারের মোবাইলে যোগাযোগ করতে পারলেন আর আমার বক্তব্যটা নিতে পারলেন না।
আমি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আর হোছাইন আহমদ মেম্বার আওয়ামী লীগ নেতা হলেও বিগত ২টি ইউপি নির্বাচনে আমি তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছি এবং আমাদের মধ্যে সাপে-নেউলে সম্পর্ক বিরাজমান। এমতাবস্থায় আমি উনার সহযোগী কিভাবে হয়ে গেলাম? বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক এমপি বদির সাথে যোগসাজশ করে ঊনছিপ্রাংয়ে আমাদের মৎস্যঘেঁর দখলে নেয় একটি মহল। এখন আমরা আইনী প্রক্রিয়ায় এসব উদ্ধারে তৎপর হওয়ায় প্রতিপক্ষ মহল পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের ঘটনায় জড়িয়ে মানসিকভাবে দূর্বল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা হাসিলের নীল-নকশা হিসেবে এসব অপপ্রচার চলছে বলে আমার সন্দেহ। আমি এই সংবাদের উক্ত অংশ সমুহের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দেখার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রতিবাদকারী :
সাবের খান
পিতা-মৌলভী মোহাম্মদ আলী
সাং-পশ্চিম পানখালী, হ্নীলা, টেকনাফ, কক্সবাজার।
