উখিয়ায় পূবালী ব্যাংক ম্যানেজার ও সহকারীর বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ১০ years ago

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
কক্সবাজারের উখিয়া পূবালী ব্যাংক লিঃ এর ম্যানেজার ইকবাল বাহার ও তার ঘনিষ্ট সহচর অফিস সহকারী মোঃ সেলিম এর বিরুদ্ধে বুধবার কক্সবাজার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দঃ বিঃ ৪০৯/৪১৭/৪২০/৪৬২ (ক) দুদক আইনের ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বালুখালী গ্রামের মকতুল হোসেন (৪৫) উক্ত মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করেন। সূত্রে জানা যায়, মকতুল হোসনের নিজ মালিকানাধীন একটি সিএনজি অটোরিক্সা বিক্রির পাওনা বাবদ উখিয়ার হিজোলীয়া এলাকার জালাল আহম্মদ জলুর ছেলে নুরুল আলম প্রকাশ ইয়াবা নুরাইল্যার নিকট থেকে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকার একটি চেক গ্রহন করার পর বিগত ১১ জুলাই ২০১৬ ইং তারিখে নগদায়নের জন্য বাদীর নামীয় হিসাব নম্বরে উখিয়া পূবালী ব্যাংক শাখায় চেকটি জমা করে ২ নং আসামী সেলিমের মাধ্যমে ভাউচার সংগ্রহ করে দীর্ঘ আড়াই মাস অতিবাহিত উক্ত জমাকৃত টাকা ফেরত না দেওয়ায় গত ২২ সেপ্টেম্বর উক্ত দূর্ণীতিবাজ ম্যানেজার ও তার ঘনিষ্ট সহযোগী মোঃ সেলিমের নিকট আদালত থেকে একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রেরন করিলে, জবাবে সে চেক হারিয়ে গেছে মর্মে অবহিত করেন। উক্ত কথিত দূর্ণীতিবাজ ম্যানেজার উক্ত চেকের টাকা হালাল করার জন্য অনেক নাটকীয়তার মাধ্যমে একটি নীল নকশা তৈরি করে ২৫ সেপ্টেম্বর চেক হারিয়েছে মর্মে থানায় একটি হারানো ডায়রি করেন বলেও জানা যায়। উক্ত হারানো ডায়রী করার পর থেকে ম্যানেজার ইকবাল বাহার ও অফিস সহকারী সেলিম চেকের মালিক মকতুল হোসেন কে আদালতে বা থানায় কোন মামলা না করার জন্য হুমকি ধমকি প্রদর্শন করেন বলেও জানা যায়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মকতুল হোসেন বাদী হয়ে ২ জন কে আসামী করে বুধবার কক্সবাজার সিনিয়র জজ আদালতে দুদক আইনে ১৯/২০১৬ নং মমলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দূর্ণীতি দমন কমিশন দুদক চট্রগ্রামকে তদন্তের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পূবালী ব্যাংক ম্যানেজার ইকবাল বাহার বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না সব সেলিম জানে। সহকারী মোঃ সেলিমের কাছ থেকে জানতে চাইলে সে বলে কোটবাজার যাওয়ার পথে চেক হারিয়ে গেছে।