নিজস্ব প্রতিবেদক : মুক্তিযোদ্ধার নাতনিকে চিকিৎসায় অবহেলা ও কেবিন না দেওয়ার অভিযোগে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাক্তার ও নার্সের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণাললে লিখিত অভিযোগ করেছেন মো. ইউসুফ নামের এক মুক্তিযোদ্ধা। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউসুফ বাদী হয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বরাবর এ অভিযোগ দায়ের করেন। মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।
অভিযোগে সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউসুফ এর নাতনি রাইসা মনিকে নিমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ভর্তি করার পর মুক্তিযোদ্ধার নামে বরাদ্দকৃত কেবিন চাইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা কেবিন খালি নাই বলে জানায়। কিন্তু ওই কেবিন অন্য এক রোগীকে ৩’শ টাকার বিনিময়ে ভাড়া দেয়া হয়েছে। পরে তা অন্য আরেকটি কেবিন খালী হলে সেখানে স্থানান্তর করে রোগীকে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় ভর্তির পরের দিন সকাল ১০টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কোন ডাক্তারের চিকিৎসা পাননি রোগী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক নার্স বলেন, “কেবিনে গিয়ে ডাক্তার রোগী দেখেন না। ডাক্তার দেখাতে হলে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হয়।”
মুক্তিযোদ্ধার ছেলে ও রোগীর বাবা মিরানুল হক বলেন, ভর্তির পরের দিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার মেয়েকে ছাড়পত্র দিয়ে দেয়। অথচ তখনো রোগীর অবস্থা শংকাজনক ছিলো। এ ব্যাপারে চকরিয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হককে কয়েকবার অভিযোগ জানালেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি।
এ ব্যাপারে চকরিয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হক স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমি বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছি। অভিযোগের বিষয়ে আরএমওকে প্রধান করে তিন সদস্যদের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে কারো গাফিলতি পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।##
