চকরিয়া চিংড়িজোনের কাকাড়াদিয়া ডেবডেবি প্রবহমান সরকারি খালের সেই বাঁধ অপসারণ করলো প্রশাসন

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

এম.জিয়াবুল হক : তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে চকরিয়া উপজেলার চিংড়িজোনের পশ্চিম বড় ভেওলা মৌজার কাকাড়াদিয়া ডেবডেবি এলাকার মধ্যখানে প্রবহমান সরকারি খালের সেই বাঁধটি অপসারণ করা হয়েছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র সরকারি পানি চলাচলের খালটির মধ্যখানে মাটির বাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে চিংড়িঘের নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টির আলোকে স্থানীয় ঘের চাষীরা কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী চিংড়িচাষীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে ওই এলাকার সরকারি খালটি আগের মতো পানি চলাচলে উন্মুর্থ করতে পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এরই অংশহিসেবে মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকালে পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মো.আবুল মনছুর ঘটনাস্থলে পৌঁছে উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী ক‌মিশনার (ভু‌মি ) নি‌দে‌র্শেনা অনুযায়ী মাটি দিয়ে তৈরী করা সেই বাঁধটি কেটে দি‌য়ে পানি এবং নৌকা চলাচলের পথ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মো.আবুল মনছুর। তিনি বলেন, উপজেলার চিংড়িজোনের পশ্চিম বড় ভেওলা মৌজার কাকাড়াদিয়া ডেবডেবি এলাকার মধ্যখানে প্রবহমান সরকারি খালে মাটির বাঁধ দিয়ে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে চিংড়িঘের তৈরীর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি নজরে আসলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএন) ও উপজেলা সহকারী ক‌মিশনার (ভু‌মি ) নি‌দে‌র্শেনা দেন বাঁধটি অপসারণে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রবহমান খালে মাটি দিয়ে তৈরী করা সেই বাঁধটি কেটে দি‌য়ে পানি এবং নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা করি।

স্থানীয় চিংড়িঘের মালিক ও চাষীরা অভিযোগ করে বলেছেন, চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা নুরুন নবী নামের একব্যক্তির নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র কিছুদিন ধরে থেমে থেমে স্কেভেটর গাড়ি দিয়ে মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণপুর্বক পশ্চিম বড়ভেওলা মৌজার ডেবডেবিস্থ পা কাটা নামক সরকারি খালটি দখলে নিয়ে সেখানে চিংড়িঘের তৈরী শুরু করে।

এঅবস্থার কারণে প্রবহমান খাল দিয়ে সামুদ্রিক লবণ পানি চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে ডেবডেবি ও কাকাড়াদিয়া এলাকার চিংড়িঘেরে লবণাক্ত পানি ঢুকানো নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দেয়।

সরকারি খালে মাটির বাঁধ দিয়ে সামুদ্রিক লবণ পানি চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় অনুকুলস্থলের চিংড়িচাষী উপজেলার পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়নের দরবেশকাটার পুর্বপাড়ার বাসিন্দা মৃত মোস্তাক আহমদের ছেলে মোহাম্মদ এহেছান বাদি হয়ে গত ৫ জুন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগটিতে বিবাদি করা হয় উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ২নং বøক নতুনঘোনা এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে নুরুন্নবী গংকে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান বলেন, উপজেলার চিংড়িজোনের পশ্চিম বড় ভেওলা মৌজার কাকাড়াদিয়া ডেবডেবি এলাকার প্রবহমান সরকারি খালে মাটির বাঁধ দিয়ে ঘের নির্মাণের বিষয়টির সত্যতা পেয়ে এব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিই।

এরই আলোকে গতকাল সেই বাঁধটি অপসারণ পুর্বক সরকারি খালটি আগের মতো পানি এবং নৌকা চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এধরণের ঘটনা যদি কেউ নতুনভাবে করার চেষ্ঠা করে অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##
চকরিয়া চিংড়িজোনের কাকাড়াদিয়া ডেবডেবি প্রবহমান সরকারি খালের সেই বাঁধ অপসারণ করলো প্রশাসন

এম.জিয়াবুল হক : তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে চকরিয়া উপজেলার চিংড়িজোনের পশ্চিম বড় ভেওলা মৌজার কাকাড়াদিয়া ডেবডেবি এলাকার মধ্যখানে প্রবহমান সরকারি খালের সেই বাঁধটি অপসারণ করা হয়েছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র সরকারি পানি চলাচলের খালটির মধ্যখানে মাটির বাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে চিংড়িঘের নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টির আলোকে স্থানীয় ঘের চাষীরা কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী চিংড়িচাষীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে ওই এলাকার সরকারি খালটি আগের মতো পানি চলাচলে উন্মুর্থ করতে পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এরই অংশহিসেবে মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকালে পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মো.আবুল মনছুর ঘটনাস্থলে পৌঁছে উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী ক‌মিশনার (ভু‌মি ) নি‌দে‌র্শেনা অনুযায়ী মাটি দিয়ে তৈরী করা সেই বাঁধটি কেটে দি‌য়ে পানি এবং নৌকা চলাচলের পথ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেন।
Chakaria Photo 14.06.2022 3 TEKNAF TODAY - সীমান্তের সর্বশেষ খবর
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মো.আবুল মনছুর। তিনি বলেন, উপজেলার চিংড়িজোনের পশ্চিম বড় ভেওলা মৌজার কাকাড়াদিয়া ডেবডেবি এলাকার মধ্যখানে প্রবহমান সরকারি খালে মাটির বাঁধ দিয়ে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে চিংড়িঘের তৈরীর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি নজরে আসলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএন) ও উপজেলা সহকারী ক‌মিশনার (ভু‌মি ) নি‌দে‌র্শেনা দেন বাঁধটি অপসারণে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রবহমান খালে মাটি দিয়ে তৈরী করা সেই বাঁধটি কেটে দি‌য়ে পানি এবং নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা করি।

স্থানীয় চিংড়িঘের মালিক ও চাষীরা অভিযোগ করে বলেছেন, চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা নুরুন নবী নামের একব্যক্তির নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র কিছুদিন ধরে থেমে থেমে স্কেভেটর গাড়ি দিয়ে মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণপুর্বক পশ্চিম বড়ভেওলা মৌজার ডেবডেবিস্থ পা কাটা নামক সরকারি খালটি দখলে নিয়ে সেখানে চিংড়িঘের তৈরী শুরু করে।

এঅবস্থার কারণে প্রবহমান খাল দিয়ে সামুদ্রিক লবণ পানি চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে ডেবডেবি ও কাকাড়াদিয়া এলাকার চিংড়িঘেরে লবণাক্ত পানি ঢুকানো নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দেয়।

সরকারি খালে মাটির বাঁধ দিয়ে সামুদ্রিক লবণ পানি চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় অনুকুলস্থলের চিংড়িচাষী উপজেলার পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়নের দরবেশকাটার পুর্বপাড়ার বাসিন্দা মৃত মোস্তাক আহমদের ছেলে মোহাম্মদ এহেছান বাদি হয়ে গত ৫ জুন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগটিতে বিবাদি করা হয় উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ২নং বøক নতুনঘোনা এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে নুরুন্নবী গংকে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান বলেন, উপজেলার চিংড়িজোনের পশ্চিম বড় ভেওলা মৌজার কাকাড়াদিয়া ডেবডেবি এলাকার প্রবহমান সরকারি খালে মাটির বাঁধ দিয়ে ঘের নির্মাণের বিষয়টির সত্যতা পেয়ে এব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিই।

এরই আলোকে গতকাল সেই বাঁধটি অপসারণ পুর্বক সরকারি খালটি আগের মতো পানি এবং নৌকা চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এধরণের ঘটনা যদি কেউ নতুনভাবে করার চেষ্ঠা করে অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##