চকরিয়ায় সীমানা বিরোধের জেরে বাড়িতে হামলা-ভাংচুর : বাবা-মা ও ছেলেকে জখম

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে বসতভিটার সীমানা বিরোধের জেরে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ওইসময় ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে বাবা-মাসহ এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলেকে। বুধবার সকালে ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহত মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা মাষ্টার নেজাম উদ্দিন (৪৫), তাঁর স্ত্রী নাছরিন সোলতানা রিটা (৩৮) ও তাদের ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছালেকুর রহমান শরীফকে (১৬) উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত শিক্ষক নেজাম উদ্দিন জানান, তার পৈত্রিক জায়গায় বসতি নির্মাণ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করে আসছেন। বিগত কয়েক মাস ধরে ভাই নাছির উদ্দিন তার দখলীয় জায়গার সীমানা নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এনিয়ে স্থানীয় ভাবে সালিশ বিচারও হয়েছে। তাড়াও বিরোধীয় জায়গার বিষয়ে থানায় বিচারাধীন চলমান রয়েছে।
মাষ্টার নেজাম উদ্দিন দাবি করেন, সালিশী বৈঠকে ভাই নাছির উদ্দিনকে ডাকা হলে তিনি কোন ধরণের আইনের তোয়াক্কা না করে উল্টো নানা ধরণের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। বুধবার সকালে সীমানা বিরোধ নিয়ে আমার পরিবারের সাথে তর্কে জড়িয়ে যান নাছির উদ্দিন। তর্কাতর্কি একপর্যায়ে নাছির উদ্দিন, তার ছেলে ওয়াহিদুর রহমান হিরু, তার ভাই পারভেজ ও নাছিরের স্ত্রী খালেদা বেগম পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় তৈরি অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আমার পরিবারের উপর হামলা চালায়।
এতে বা^ধা দিতে গেলে প্রথমে আমাকে (মাস্টার নেজাম উদ্দিন) ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম করে। পরে আমাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে তাঁরা আমার স্ত্রী নাছরিন সোলতানা রিটা ও ছেলে ছালেকুর রহমান শরীফকেও কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান নেজাম উদ্দিন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, ঘটনার বিষয়ে কেউ অবহিত করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##