চকরিয়ায় মাথাখিলা খাসজমি দখলে নিতে দিনমুজুরকে অহেতুক হয়রাণির অভিযোগ!

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া :
চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে একখন্ড খাসজমি জবরদখলের জন্য পরিকল্পিতভাবে মামলায় জড়িয়ে মো.জাকারিয়া নামের এক দিনমুজুর ও তাঁর পরিবারকে অহেতুক হয়রাণি করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী জাকারিয়ার জায়গার মাথাখিলা অংশের খাসজমি দখলে নিতে বাঁধা দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবেশি আবদুল মোনায়েম একের পর সাজানো মামলায় জড়িয়ে হয়রাণির পাশাপাশি বাড়িছাড়া করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগে বরইতলী ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের পহরচাঁদাস্থ খাজানগর গ্রামের কবির আহমদের ছেলে মো.জাকারিয়া জানান, তিনি পেশায় দিনমুজুর। অন্যের কাছে শ্রম বিক্রি করে আয়ের টাকায় কোনমতে সংসার চালাচ্ছেন। তাঁর দাবি, কয়েকবছর ধরে তাঁর জায়গার মাথাখিলা অংশের কিছু পরিমাণ খাসজমি দখলে নিতে চেষ্ঠা করছেন প্রতিবেশি মৌলানা ফজলুর রহমানের ছেলে আবদুল মোনায়েম। তিনি ওই খাসজমি দখলে নিতে চেষ্ঠা করলে দিনমুজুর জাকারিয়া বাঁধা দেন। গতবছর অনুরূপভাবে দখলচেষ্টা কালে বাঁধা দিতে গেলে তাকেসহ (জাকারিয়া) পরিবারের আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা টুকে দেন প্রতিবেশি মোনায়েম। বর্তমানে মামলাটি আদালতে চলমান।
ভুক্তভোগী জাকারিয়া অভিযোগ করেছেন, চলতি মে মাসের প্রথমদিকেও মাথাখিলা ওই জায়গা দখলে চেষ্টা করে মোনায়েমসহ তার লোকজন। ওইসময় বাঁধা দিয়ে কোনমতে জায়গাটি অক্ষত রাখতে পারলেও ফের নতুন সাজানো মামলায় আসামি হয়েছেন দিনমুজুর জাকারিয়া। গত ২৩ মে চকরিয়া থানায় আবদুল মোনায়েম বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় জাকারিয়াকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। তাঁর সাথে দুই নম্বর আসামি করা হয় ভগ্নিপতি কোনাখালী ইউনিয়নের পুর্ব জঙ্গলকাটা গ্রামের জাফর আলমের ছেলে রবিউল আলমকে।
অভিযোগকারী জাকারিয়া জানান, তাঁর মাথাখিলা অংশের একখন্ড খাসজমি দখলে নিতে প্রতিবেশি আবদুল মোনায়েম তাকে মামলার জালে আটকে দিয়েছে। বর্তমানে সাজানো এসব মামলার ঘানি টানতে টানতে তিনি হয়রান। আর্থিকভাবে তিনি যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন, তেমনি পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে রোজার দিনে বাড়িছাড়া হয়েছেন। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী জাকারিয়া অহেতুক হয়রানীমুলক এসব মামলার থেকে রক্ষা পেতে আদালতের বিচারক ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেছেন। ##