নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের চকরিয়ায় ফুয়াদ বাংলাদেশ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের সঙ্গে জড়িয়ে ব্যবসায়ী এহেছানুল করিম নামের এক ব্যবসায়ীকে হয়রাণির চেষ্ঠা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিন ঘুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৌলভী আলী আকবরের ছেলে ব্যবসায়ী এহেছানুল করিম গতকাল চকরিয়া শহরে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তুলেছেন, এলাকার কতিপয় মহল তাঁর জনপ্রিয়তা ও ব্যবসায়ীক সামাজিক সুনাম ক্ষুন্নের অভিপ্রায়ে ফুয়াদ বাংলাদেশ নামের ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে কল্পকাহিনী সাজিয়ে তাকে হয়রাণির চেষ্ঠা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এহেছানুল করিম জানান, ২০১৬ সালে তিনি চকরিয়া উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশনেন। পরবর্তী সময়কাল থেকে তিনি এলাকায় সামাজিক সকলধরণের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে বৈধ পন্থায় আয়-রোজগার করে পরিবারের জীর্বিকা নির্বাহ করে আসছেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এহেছানুল করিম বলেন, ফুয়াদ বাংলাদেশ নামের প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে তিনি ছিলেন কিশোর। কোনদিন তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, এখনও নেই। তিনি নিজের ব্যবসা-বাণিজ্য নিজেই পরিচালনা করেন। পাশাপাশি দলীয় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাÐে সময় দেন।
এহেছান দাবি করেছেন, ফুয়াদ বাংলাদেশ নামের এই প্রতিষ্ঠানে তাঁর ভাই মোহাম্মদ ইব্রাহিম ছাড়াও আরো তিনজন পরিচালক আছেন। বর্তমানে তিনজনই দেশের বাইরে। আমার জানামতে প্রতিষ্ঠানটি চালু থাকাকালে ফুয়াদ বাংলাদেশ চকরিয়া ছাড়াও তাদের শাখা প্রতিষ্ঠান সমুহের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর মাঝে বিপুল টাকা লগ্নি করেছেন। এখনো অনেক টাকা তাঁরা বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীদের কাছে পাবেন। অবশ্য বিদেশ চলে যাবার কারণে অনেক গ্রাহকের হিসাব তাঁরা চুড়ান্ত করেনি এটা ঠিক, তবে অনেকের টাকা তারা ইতোমধ্যে পরিশোধ করেছেন। অনেকের টাকা পরিশোধ করতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগও রেখেছেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এহেছানুল করিম অভিযোগ করেছেন, ফুয়াদ বাংলাদেশের যাবতীয় সহায় সম্পদ ব্যবসা-বাণিজ্যের সকল দায়ভার বিদেশে থাকা তিন পরিচালক নিশ্চিত করবেন। গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলবেন তাঁরা। কিন্তু চক্রান্তের অংশহিসেবে ফুয়াদ বাংলাদেশের সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে সোমবার ও মঙ্গলবার কক্সবাজারের স্থানীয় একাধিক সংবাদপত্র এবং বেশ কটি অনলাইন পোস্টালে কাল্পনিক কিছু অভিযোগ করেছেন কতিপয় মহল। মুলত দলের হাইকর্মান্ড থেকে তৃনমুলে আমার জনপ্রিয়তা প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং সামাজিকভাবে হয়রাণি করার অভিপ্রায়ে ওই মহলটি সংবাদে আমাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে জড়িয়ে দিয়েছে।
এহেছানুল করিমের দাবি, প্রকাশিত উল্লেখিত সংবাদে অভিযোগকারী ফুয়াদ বাংলাদেশের কোন গ্রাহকের সঙ্গে আমি কোনদিন কথা বলেনি, এমনকি আমি কাউকে হুমকিও দিইনি, এটি ওই মহলের চক্রান্তের অংশ। এই ধরণের ভিত্তিহীন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে উপস্থাপন করা সকল অভিযোগের ব্যাপারে প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিভ্রান্ত না হতে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
যুবদল নেতা এহেছানুল করিম বলেন, বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত একটি মহল আগামীতে ফাসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় সুবিধা নেয়ার কৌশল হিসেবে আগাম মিশনে নেমেছে। সেই আলোকে ওই মহলটি আমাকে রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যবসায়ীক ও পারিবারিকভাবে ঘায়েল করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তাঁরা গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে আমার সুন্দর একটি ক্যারিয়ারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মাধ্যমে নিজের স্বার্থ হাছিল করতে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। #
