এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়ায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ে গেছে পাঁচটি বসতঘর। বুধবার দিবাগত রাত একটার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের করাইয়াঘোনা এলাকায় ঘটেছে অগ্নিকাÐের এ ঘটনা। খবর পেয়ে রাতে চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও ততক্ষনে নগদ টাকা, আসবাবপত্রসহ আনুমানিক ৭০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে দাবি করেছেন আক্রান্ত পরিবার সমুহ। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো খোলা আকাশের মানবেতন দিন কাটাচ্ছে।
এদিকে অগ্নিকাÐের খবর পেয়ে গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুদ্দিন মুহাম্মদ শিবলী নোমান, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী ও স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর ফোরকানুল ইসলাম তিতু। পরিদর্শনকালে ইউএনও শিবলী নোমান তাৎক্ষনিক উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে অগ্নিদুর্গত পরিবারের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ করেছেন। এসব পরিবারকে ঢেউটিন বরাদ্দ দেয়ার আশ^াস দিয়েছেন।
চকরিয়া পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর ফোরকানুল ইসলাম তিতু বলেন, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক একটার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে করাইঘোনা এলাকার বাসিন্দা নজু মিয়া, আবদুল গনী, হেলাল উদ্দিন, সামসুল আলম ও সেলিম উদ্দিনের বাড়ি দাউ দাউ করে জলতে থাকে। এসময় খবর পেয়ে চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘন্টাব্যাপী চেষ্ঠা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন। তবে ততক্ষনে বসতঘর গুলো প্রায় পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, অগ্নিকাÐে বসতঘর গুলো পুড়ে যাওয়ার ঘটনা শুনে গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরির্দশন করা হয়। ওইসময় পরিবার গুলোর মাঝে নিত্য ব্যবহারে কিছু জিনিষপত্র ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোকে নতুন বসতঘর তৈরী করতে পৌরসভার পক্ষথেকে অনুদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##
