চকরিয়ায় আলোচিত আমির হোসেন হত্যাকান্ডে ইউপি চেয়ারম্যান আদরসহ ২২জনের বিরুদ্ধে মামলা

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়ার আলোচিত মো.আমির হোসেনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার (২৫মে) দুুপুরে নিহত মো.আমির হোসেনের স্ত্রী ছকিনা ইয়াছমিন বাদি হয়ে চকরিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। পরে এই এজাহারটি গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬মে) দুপুরে মামলা হিসেবে রুজু করেছে চকরিয়া থানা।
মামলায় ডুলাহাজারা ইউনিয়নর পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদরকে প্রধান আসামী করে ১০জনের নাম উলে­খসহ আর ১০/১২জনকে অজ্ঞাত আসামী হিসেবে দেখানো হয়েছে।
অন্য আসামীরা হলেন ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মকসুদ মিয়ার ছেলে হাসানুল ইসলাম আদর (৩৫), ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ডুমখালীর ইউছুপ মিয়ার ছেলে আবদুর রহমান (৩৬), ফরিদ আলমের ছেলে সালাহউদ্দিন (৩২), ছরওয়ার আলম (৩৬), ৪নং ওয়ার্ডের উলুবুনিয়া এলাকার মৃত ছাবের আহমদের ছেলে সিরাজ মিয়া (৩০), ২নং ওয়ার্ডের ডুমখালীর ছাবের আহমদের ছেলে রেজাউল (২৯), মৃত আহমদ হোসেনের ছেলে আবু ছালাম (৪৮), জামাল উদ্দিনের ছেলে বাহাদুর মিয়া(৪৪), টুক্কু মিয়ার ছেলে ছরওয়ার আলম (৩১) এবং আকবর আহমদের ছেলে বাবু মিয়া (২২)। এছাড়াও অজ্ঞাত আরও ১০/১২জন রয়েছে।
মামলার বাদি নিহত মো.আমির হোসেনের স্ত্রী ছকিনা ইয়াছমিন এজাহারে দাবি করেন, গত সোমবার রাত ৮টার দিকে সন্ত্রাসী আবদুর রহমান আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। যাওয়া মাত্রই চেয়ারম্যান আদরের নির্দেশে আবদুর রহমান ও সালাহউদ্দিনসহ অপরাপর সন্ত্রাসীরা আমার স্বামী আমির হোসেনকে জাপটে ধরে হাত বেঁধে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়।
এক পর্যায়ে আবদুর রহমান ও সালাহউদ্দিনসহ অন্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। এসময় আহতবস্থায় আমির হোসেন পালাতে চেষ্টা করলে গুলি করা হয়। এতে আমির হোসেনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়।
তিনি দাবি করেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদরের পক্ষে ভোট না করায় ডেকে নিয়ে আমার স্বামী আমির হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, গত বুধবার দুপুরে নিহত আমির হোসেন স্ত্রী ছকিনা ইয়াছমিন বাদি হয়ে হত্যার ঘটনায় একটি এজাহার দেন। ওই এজাহারটি তদন্ত করে মামলা হিসেবে রের্কড করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। ##