নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী নদীর তীরের রামপুর মৌজার একটি সেচ স্কীমের মেশিনঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে সেচ স্কীমের দুই কর্মচারীকে বেদড়ক পিটিয়ে জখম করেছে। এ ঘটনায় বিদ্যুৎ চালিত মটর, ইলেকট্রনিকস মালামাল পুড়ে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সেচ স্কীমের মালিক মোহাম্মদ জাবের।
সেচ স্কীমের মালিক মোহাম্মদ জাবের বলেন, চকরিয়া সেচ ব্যবস্থাপনা কমিশন অনুমোদন নিয়ে তিনি এবছর মাতামুহুরী নদীর তীরে রেললাইনের পশ্চিমে রামপুর মৌজায় নতুন সেচ স্কীম চালু করেছেন। ইতোমধ্যে সেচ স্কীমের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের জমিতে পানি সুবিধা দেওয়া শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, রামপুর মৌজায় সেচ স্কীমটি চালু করার কারণে সম্প্রতি সময়ে স্থানীয় কতিপয় মহলের রোষানলে পড়েছেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও চকরিয়া থানার ওসির দপ্তরে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন।

সেচ স্কীম মালিক মোহাম্মদ জাবের অভিযোগ করে বলেন , আমি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেয়ায় উল্টো অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হামলা চালিয়ে আমার সেচ স্কীমের মেশিনঘর আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনার সময় তারা সেচ স্কীমের কর্মচারী মো সাজ্জাদ (১৯) ও আমার বোনের ছেলে নাঈম হোসেন (১৪) কে বেদড়ক পিটিয়ে জখম করেছে। তাদেরকে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের বরাত দিয়ে স্কীম মালিক মোহাম্মদ জাবের বলেন, হামলার ঘটনায় পাশের এলাকা চকরিয়া পৌরসভার ৫ নং করাইয়াঘোনার মৃত মোক্তার আহমদ এর ছেলে ফোরকান ইসলাম , ফরিদুল ইসলাম, মৃত সমসুল আলমের ছেলে জাফর আলম, মৃত মোক্তার আহমেদের ছেলে আলমগীর, জাহাঙ্গীর, ফরিদুল ইসলামের ছেলে শফিক ও গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সায়মান এর নেতৃত্বে মুখোশ পরিহিত আরো ৪-৫ জন অস্ত্রধারী ছিল। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় আইনী পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
