বিশেষ প্রতিবেদক : হোয়াইক্যং খারাংখালীতে র্যাব-১৫ এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মাদকের চালান খালাসকারী ও বহনকারী বদি আলমকে ইয়াবাসহ আটক করেছে। মাদক কারবারে জড়িত হেলপার আটক হলেও মাদক সিন্ডিকেট প্রধান গডফাদার ছৈয়দ আলম ওরফে উনাইয়াসহ অপরাপর সদস্যরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সুত্র জানায়,গত ৫ই জানুয়ারী (বুধবার) দুপুর ২টারদিকে কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর চৌকষ একটি আভিযানিক দল মাদকের চালান পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ হ্নীলা বিএম অটোগ্যাস ফিলিং ষ্টেশনের দক্ষিণে আব্দুস সালাম মার্কেটের সামনে অভিযানে যায়। এসময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধাওয়া করে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার মৃত নুর আহমদের পুত্র বদি আলম (৪০) কে ১টি ব্যাগসহ আটক করে। পরে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে ব্যাগটি তল্লাশী করে ৮হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক ( ল এন্ড মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু সালাম চৌধুরী জানান, এই ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের নিয়মিত মামলায় ইয়াবাসহ ধৃত মাদক কারবারীকে টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সুত্র জানায়,পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার গোলাম হোসেনের পুত্র ছৈয়দ আলম ওরফে উনাইয়া, ফরিদুল আলম, রশিদ আলম, জনৈক ভৈক্কা ও গুরা পুইত্যাসহ শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার ও চোরাচালান করে আসছে। এই সিন্ডিকেটের অপর সদস্য সরওয়ার আলম মাদক মামলায় কারাগারে রয়েছে। এই বদি আলম, গুরাপুইত্যা সীমান্তে মাদকের চালান খালাস এবং ভেক্কার আস্তানায় মওজুদের পর তা বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হতো। ধৃত বদি আলমকে রিমান্ডে নিলে উক্ত এলাকার প্রকৃত মাদক কারবারে জড়িতদের তথ্য বেরিয়ে আসবে। সরকারের মাদক বিরোধী অভিযানের সাফল্য ধরে রাখতে ধৃত বদি আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি সিন্ডিকেটের অপর সদস্যদের আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে। ###
