সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : গত ১৮ জুলাই ২০২০,শনিরার, রাত ৮ টায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর কর্তৃক আয়োজিত একটি অনলাইন ভিত্তিক লাইভ ,করোনা সংলাপ পর্ব-২১, “করোনকালে ধূমপায়ীর স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও করণীয়” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড নেক সার্জন, স্পোশালাইজড ই.এন.টি হাসপাতাল, ও কনসালটেন্ট, সোসাইটি ফর এ্যাসিসটেন্স টু হেয়ারিং ইমপায়ার্ড চিলড্রেন অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবদুস সামাদ এবং সনামধন্য কনসালটেন্ট (পালমোনোলজিস্ট), জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং যুন্ম সচিব, বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন ডাঃ কাজী সাইফউীদ্দন বেননূর। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে কোভিড-১৯ মহামারিকালে ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য মারাক্তক হুমকিস্বরূপ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডাঃ তাসনুভা হুমায়রা, এডভোকেসি অফিসার, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর।
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবদুস সামাদ বলেন “ধূমপানের কোন ভালোদিক নেই, ধূমপান বিষের থেকেও আরো বেশী ক্ষতি কর”। ধূমপান একটি শ্লো পয়জন যা মানব দেহে ধীরে ধীরে ক্ষতি সাধন করে থাকে। ধূমপান থেকে মানব দেহের অন্যান্য রোগের সূত্রপাত ঘটে এর মধ্যে অন্যতম শ্বাসকষ্ট যা ফুসফুসের অবকাঠামোগত পরিবর্তন করে দেহের মারাক্তক ক্ষতি করে বিশেষ করে করোন আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঝুকিঁ বাড়িয়ে দেয়।
ডাঃ কাজী সাইফউীদ্দন বেন্নূর বলেন “যদি কোন ধূমপায়ী ব্যক্তি করোনয় আকান্ত হয় তার অক্সিজেন লেভেল অধূপায়ী ব্যক্তির থেকে অনেক লো লেভেলে চলে যায় যে কারনে তার মৃত্যুও ঘটাতে পারে”। তিনি আরো বলেন করোনা আক্রান্ত কোন ব্যক্তি যদি মুখের পানের পিক বা থুথু যে কোন উনমুক্ত স্থানে ফেলে যদি কেউ তার সংস্পশে আসে তা হলে সে ব্যক্তির করোনা আক্রান্ত হবার ঝুকিঁ অনেকাংশে বেড়ে যায়।
উভয় আলোচক একমত প্রকাশ করেন যে সকল ধূমপায়ীদের ক্রনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) হবার সম্ভাবনা অনেক বেশী।তারা আরও ব্যাখ্যা করেন যে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ধূমপায়ী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে শ্বাসতন্ত্রের বাধাজনিত সমস্যা ব্যাপক আকার ধারন করে যার ফলে শ্বাস কষ্ট হয়। করোনাকালিন সময়ে স্বাস্থ্য ঝুকিঁ কমাতে সকলকে সচেতন হতে হবে বিশেষ করে ধূমপায়ী বা অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণকারীদের অতি দ্রুত সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্য গ্রহন ত্যাগ করতে হবে।
