নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নে নৌকার টিকেটে পরপর দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি দিদারুল হক সিকদার। তিনি এবারও দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ফরম জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বোর্ড এবার সেখানে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষনা করেছেন আওয়ামীলীগ নেতা জাফর আলম ছিদ্দিকীকে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের পর কোনাখালী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সহযোগি সংগঠন ছাড়াও সর্বসাধারণের মাঝে বিষয়টি প্রকাশ পেলে বর্তমান চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের সমর্থক, নেতাকর্মী এবং ইউনিয়নের আপামর জনতা তাকে নিরাশ করেনি। মুর্হুতে ইউনিয়নের বিভিন্ন জনপদে জনসাধারণের উদ্যোগে শুরু হয়ে যায় কলাগাছ রোপন।
জনগনের দাবি, চেয়ারম্যান দিদারুল হক কোনাখালীতে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছেন। জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ছিলেন অবিচল। তিনি অপরাধীদের আতঙ্ক ছিলেন। সর্বপুরি এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। জনগনের অধিকার ও ইউনিয়নে উন্নয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের বিকল্প নেই। এসব ¯েøাগানে ইউনিয়নে বিভিন্নস্থানে মিছিলও করেছে।
ক্ষুদ্ধ জনসাধারণ দাবি করেন, চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার গেল দশবছর ধরে যেমন এলাকার মানুষের সু:খ দু:খে পাশে ছিলেন, তেমনি আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক রাজনীতি গতিশীল করতে কাজ করেছেন। তাই এবার নৌকা তথা দলীয় মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দিদারুল হক সিকদারকে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।
চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের কর্মী সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, গতকাল তাঁরা কোনাখালী ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় সড়কের দুইপাশে সারি সারি কলাগাছ রোপন করেছেন। ওইসময় একাধিক মামলার আসামি স্থানীয় সালাহউদ্দিন ও আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে কতিপয় চক্র রোপিত বেশিরভাগ কলাগাচ কেটে দিয়েছে। এসময় কর্মী সমর্থকরা বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকে প্রাণে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন হামলাকারীরা।
চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার বলেন, যারা কোনাখালীতে অশান্ত পরিবেশ তৈরী করছেন সবাই সম্প্রতি সময়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। আমি প্রিয় কোনাখালী ইউনিয়নবাসিকে অনুরোধ করবো, আপনার একটু দৈয্য ধরুন, শান্ত থাকুন, কোনধরণের বিশৃঙ্খলায় পা দেবেন না। ইনশাল্লাহ বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। #
