কাব্যে সূরা বাক্বারা [সূরা বাক্বারার ধারাবাহিক কাব্যিক ভাবানুবাদ।]

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

মদীনায় অবতীর্ণ, আয়াত :-২৮৬
****************************************************
মোহাম্মদ আবুল হোছাইন হেলালী
***************************************************
আয়াত নম্বর :-৬০
**************************
★★ মহান আল্লাহর নামে আমি শুরু করি
জাহান জুড়ে যাঁর রহম আছে ভূরিভূরি।★★
**************************************************
ফেরাউনের অত্যাচারে জর্জরিত
দাম্ভিক বনি ইসরাইল জাতি –
তাদের পিতৃপুরুষের দেশ কেনানে
যেতে দেয় মুসা (আঃ) সংগতি।

” আমালিকা ” সম্প্রদায়ের কব্জা হতে
” আরদে মোকাূ্দসা ” করো ‘গো মুক্তি
মহান আল্লাহ্ করেন এ আদেশ জারি
জন্মভূমি উদ্ধারে জ্বীহাদে হও সম্পৃক্ত।

করেন তিনি জ্বীহাদের হুকুম জারি
ওয়াদাবদ্ধ পাঠাবেন সাহায্য তাড়াতাড়ি,
” আমালিকাদের ” শৌর্যবীর্জ ও শক্তিমত্তায়
ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত করবেনা যুদ্ধ – মারামারি।

তারা মুসা (আঃ) কে বলে দেয় সোজা
নেবেনা কিছুতেই এরা এ যুদ্ধের বোঝা –
বরং বলে যুদ্ধে যাও তুমি ও তোমার রব
বসে থাকবো এখানে আমরা সব।

” তিহ ” প্রান্তরে পিপাসায় অস্থির হয়ে পড়ে
মুসা (আঃ)’র কাছে করে পানির আবেদন –
স্মরণ কর, যখন মুসা(আঃ) তাঁর সম্প্রদায়ের জন্য
আমার কাছে পানির জন্য করেন আরজি নিবেদন।

তখন বললাম আমি আঘাত কর তুমি
লাঠি দ্বারা নির্জীব পাথরের উপরে –
দ্বাদশ পাথর হতে দ্বাদশ প্রস্রবণ
হয় সৃজন আঘাত পেয়ে সজোরে।

পায় বারোটি গোত্র পানীয় জলের সূত্র
চিনে নিলো তাদের পানীয় জলের স্থান –
আদেশ করেন তিনি করেন সৃজন যিনি
” রাহে লিল্লাহে ” থাকিও চির অম্লান।

আর আল্লাহ্ প্রদত্ত জীবিকা হতে
কর পানাহার তোমরা সবে –
অতঃপর ভবের মাঝে নৈরাজ্য সৃষ্টির
দুষ্কৃতকারী রূপে কভূ নাহি হবে।