নিজস্ব প্রতিনিধি :
সামাজিক দুরত্ব ও পরিবেশ আইন কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে লকডাউনের মাঝে সেন্টমার্টিনে পাকা স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক পড়েছে।
জানা যায়, সেন্টমার্টিনের কোনার পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে সুযোগ সন্ধানী মহল।
এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমনসহ সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির আশংকা দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, সেন্টমার্টিন দ্বীপের কোনার পাড়া এলাকায় দেয়ালসহ পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে
জিয়া ও মোসলেমসহ একটি চক্র।
কোনার পাড়া এলাকা ছাড়াও সেন্টমার্টিনের বিভিন্ন স্থানে পাকা স্থাপনা নির্মাণের খবর পাওয়া গেছে। অথচ সেন্টমার্টিনে পাকা স্থাপনা নির্মাণের জন্য বিশেষ কমিটির অনুমোদন নিতে হয়।
সারাদেশ যেখানে করোনা আতংকে লকডাউনে রয়েছে সেখানে কোস্টগার্ড, পুলিশসহ একাধিক আইন শৃংখলা বাহিনীর নাকের ডগায় এধরণের কর্মকান্ড জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
একদিন আগে সেন্টমার্টিনে এক জেলে মৃত্যুবরণ করে রাস্তায় পড়ে থাকলেও করোনাতংকে ৩ ঘন্টা পর্যন্ত তার লাশের পাশে কেউ যায়নি। পরে করোনা রোগীর নিয়মে জানাযা ও দাফন করা হয়।
মুঠোফোনে পাকা স্থাপনা নির্মাণকারী জিয়া নামের একজনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, কয়েকদিন আগে টেকনাফের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫শতক জমি বায়না করেছেন। সেখানে দেওয়াল ও দুই রুমের একটি ভবণ নির্মাণ করছেন।
লকডাউনে সামাজিক দুরত্ব না মেনে কাজ করার বিষয়ে তিনি জানান, সেন্টমার্টিনে কোথাও কজ বন্ধ নেই, অনেকে কাজ করছে তাই তিনিও শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করছেন।
সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়ীর আইসি ফজলুল আলম জানান, এ ধরনের কোন ঘটনার কথা তিনি শুনেননি।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে প্রশাসন আপ্রান চেষ্টা চালিয় যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে টেকনাফের বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়েছে। সেন্টমার্টিনের বিষয়টি আমাকে কেউ জানায়নি, খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।
