তোফাইল আহমদ :
কক্সবাজার জেলা কারাগারে লাগামহীন অনিয়ম দুর্নীতির ঘটনা ঘটে চলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বন্দীদের সাথে ৫ মিনিট কথা বলতে আদায় করা হয় জনপ্রতি ১২০০ টাকা করে। পরবর্তী মিনিট ১০০ টাকা করে। ভাতের ক্যারিয়ার ঢুকাতে ২০০ টাকা। আবার ভিতরে বন্দীদের জন্য যে সব প্রয়োজনীয় জিনিস ঢুকানোর দরকার সবগুলোই বাধ্যতামূলক ভাবে নিতে হবে কারাগারের ব্যক্তিগত দোকান থেকে। প্রত্যেক পণ্যের দাম কয়েকশ গুণ বেশি।
বৃহস্পতিবার অন্তত ৪-৫ হাজার দর্শনার্থীর ভিড় ছিল। কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ৪ হাজার ২৬৩ জন। তন্মধ্যে ইয়াবা কারবারির সংখ্যা কমপক্ষে ৩ হাজারের বেশি। এ কারণে দর্শনার্থীদের নিকট অসাধু কারারক্ষীদের চাহিদাও বেশি।
তদুপরি সাম্প্রতিক নিয়োগ পাওয়া বেসরকারি এক কারা পরিদর্শকের বিরুদ্ধে ও উঠেছে নানা অভিযোগ। ওই পরিদর্শকের বিরুদ্ধে বন্দীদের সাথে দীর্ঘক্ষণ আলাপের সুযোগ করিয়ে দেয়ার অভিযোগ আছে।
ওদিকে আত্মসমর্পণ করা কারবারিরাও রয়েছে মাসিক চুক্তির বিনিময়ে বেশ আরামে।
কারবারি শাহজাহান আনসারি বিশেষ চুক্তিতে আছেন আমদানি ওয়ার্ডে। তিন বেলা খাবার যায় ঘর থেকে।
তবে জেল সুপার খন্দকার বজলুর রশীদ এসব অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার কয়েক হাজার দর্শনার্থীর ভিড় ছিল। আমি সকালে একটু বাইরে গিয়ে ছিলাম তাই এ সময়ে কিছু ঘটনা ঘটতে পারে। আমি তদন্ত করে দেখব।
০৬-০৬-১৯ রাত ১০-৪০মি।
