কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নামকরণ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর নামে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৪ years ago

খাঁন মাহমুদ আইউব : কক্সবাজারে নির্মানাধীন দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নাম রাখা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। গত ১৯ ডিসেম্বর বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লিখিত প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাস্ট্রের সদস্য সচিবের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন। তার প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে নাম করণের অনুমোদন দিয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে কক্সবাজার-০৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য কমল বিমানবন্দরের নাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর’ করার প্রস্তাব দিলে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করে তাকে মন্ত্রনালয়ে লিখিত আবেদনের নির্দেশ দেন।

ইতোমধ্যে রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নির্মানাধিন বিমানবন্দরের ৯ হাজার ফুট রানওয়ে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের মহেষখালী চ্যানেলের উপর আরো ১ হাজার ৭০০ ফুট রানওয়ে সম্প্রসারণ হবে। রানওয়েটিতে থাকবে সেন্ট্রাল লাইন লাইট। এছাড়াও সমুদ্র বুকের ৯০০ মিটার পর্যন্ত হবে অত্যাধুনিক প্রিসিশন অ্যাপ্রোচ ক্যাট-১ লাইটিং।

গেলো বছর ২৯ আগস্ট ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি এই প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে ২০১৭ সালে সম্প্রসারিত রানওয়েতে বিমানের বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমানে দেশের সবচেয়ে দ্বীর্ঘ রানওয়েটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এটির দৈর্ঘ্য ১০ হাজার ৫০০ ফুট। কক্সবাজারের রানওয়ে এর চেয়েও ২০০ ফুট দীর্ঘ।

সূত্রমতে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দফতরে বেবিচক কর্তৃপক্ষ ও চাংজিয়াং ইচাং ওয়াটারওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো (সিওয়াইডব্লিউইবি)- চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি) মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কক্সবাজার বিমানবন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি গত ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন প্রদান করেন। ৫ হাজার ১ শ’ ৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, রানওয়ে সম্প্রসারণ ও শক্তি বৃদ্ধি, এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।