উখিয়ায় বজ্রপাতে নিহত-১ : টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে ৮ গ্রাম প্ল¬াবিত

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৯ years ago

শফিক আজাদ, উখিয়া প্রতিনিধি :
উখিয়ায় গত সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে প্ল¬াবিত হয়ে পড়েছে উখিয়ার ৮টি গ্রাম। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের থাইংখালী এলাকায় প্রধান সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পানিবন্দী হয়ে দুর্বিষহ দিন কাটাচ্ছে হাজারো মানুষ। পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলী জমি ও মাছের খামার। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন ঝুকিপূর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরবর্তী দুর্যোগ মোকাবেলায় সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
সরেজমিন পালংখালী ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, পাহাড়ী ঢলের পানিতে নাফ নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তাজনিরমার খোলা, রহমতের বিল, ধামনখালী, আনজুমানপাড়া ও বালুখালী উখিয়ার ঘাট এলাকা প্ল¬াবিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার প্রায় শতাধিক একরের মত বিভিন্ন কৃষি ক্ষেত খামার তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় প্রায় সাড়ে ৩হাজার এলাকার চিংড়ি ঘের, মাছের খামার প্লাবিত হওয়ায় ঘের মালিকদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া, রহমতের বিল, পালংখালী বটতলি সহ পুরো এলাকার প্রায় সাড়ে ৩হাজার একর চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও পাহাড়ে ঝুকিপূর্ণ বসবাসকারী শতাধিক কাঁচাঘরবাড়ী বিধ্বস্থ হয়েছে। তিনি আরো জানান, মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত পাহাড়ী ঢলের পানির সাথে বালি মিশ্রিত মাটি আসার কারণে ৫০ একরের মতো জমিতে পলি জমেছে। এসব পলি মাটি না সরালে চাষাবাদ করা যাবে না বলে তিনি দাবী করেন।
এদিকে রতœাপালং ইউনিয়নের রুহুল্লাঢেবা গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে আড়াইটার দিকে বজ্রপাতের আবুল কালাম (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। সে ওই এলাকার মৃত আলী আহমদ মিস্ত্রির ছেলে। স্থানীয়রা পরিবারের বরাদ দিয়ে জানিয়েছেন, বজ্রপাতের সময় প্রাকৃতিকর সমস্যার ছাড়ানোর জন্য বাড়ির উঠুনে গেলে বজ্রপাতের সে নিহত হয়। উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহতের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।