মুহাম্মদ হানিফ আজাদ, উখিয়া।
বাড়িটি সবে মাত্র নতুন ডিজাইনের তৈরী। অট্রালিকা এই বাড়িটি দেখলে বুঝা যায় যে,কত বেশী টাকা হলে এভাবে বাড়ি ঘর করা যায়। গত এক বছরের মাথায় কোটি টাকা খরচ করে এ বিলাসী বাড়িটি করেছেন রফিক উদ্দিন রউফ (৫০) নামের এক ইয়াবা গডফাদার। সে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ ওয়ার্ডের ডেইলপাড়া গ্রামের মৃত বাদশা মিয়া প্রকাশ বাছা মৌলবীর ছেলে ও সাবেক মেম্বার মোরশেদ আলমের ছোট ভাই। এই সেই মাদককারবারী রফিক উদ্দিন রউফ এর রয়েছে সীমান্ত জনপদে শক্তিশালী এক মাদকের সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক রউফ নামের এ ইয়াবা গডফাদার। তাঁর নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি মায়ানমার। সীমান্তের একাধিক পয়েন্ট দিয়ে মায়ানমারের নাগরিকরা ইয়াবার বড় বড় চালান নিয়ে আসছে বাংলাদেশে। রেজু আমতলী পাহাড়ি জনপদ দিয়ে মায়ানমার থেকে আসছে রীতিমত ইয়াবার চালান। এসব মাদকের চালান যাচ্ছে ঢাকা – চট্রগ্রামসহ সারা দেশে। আইনশৃংখলা বাহিনী তাকে বার বার ধরার জন্য অভিযান চালালে ও আটক করা সম্ভব হচ্ছে না। একাধিক বার তার মাদককের চালান আটক হলে ও সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।রউফের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা থাকলে ও সে জামিনে এসে বরাবর মাদক সামরাজ্য নিয়ন্ত্রণ রাখে। এলাকাবাসী দাবী এ মাদক কারবারী রউফকে আইনের আওতায় আনা না গেলে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক আনা বন্ধ হবে না। ইয়াবা গডফাদার রফিক উদ্দিন রউফকে ধরতে পুলিশ তথ্য নিচ্ছে। তাকে যেকোন মুল্যে আইনের আওতায় আনা হবে।
এছাড়াও জেল থেকে বের হয়ে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বালুখালির ইয়াবা ডন বখতিয়ার আহাম্মদ, জাহাঙ্গীর আলম, হাজীর পাড়া ও হয়রাতি পাড়া গ্রামের মীর আহাম্মদ, ইলেকট্রশিয়ান মোহাম্মদ আলি, আলা উল্লা, ডেইল পাড়া গ্রামের মোর্শেদ আলম, মোহাম্মদ ইকবাল, করইবনিয়া গ্রামের মোঃ ইকবাল, নুরুল আমিন ভুট্টো, নুরুল আমিন, ফারুক, শাহাজাহান, একরাম, গফুর আলম, হিজলিয়া গ্রামের মুক্তার আহাম্মদ, মামুন, আনোয়ার সহ উখিয়ার শতাধিক ইয়াবা কারবারী কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কোটি কোটি টাকার ইয়াবা মজুদ করেছে বলে স্হানীয় সুত্রে জানা গেছে।
এই ব্যাপারে জানতে চাইলে, উখিয়া থানার ওসি আহাম্মদ সনজুর মোরশেদ বলেন, ইয়াবা ব্যাবসায়ীদের ধরার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।
