উখিয়ায় ২টি ডিজিটাল পদ্ধতি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র ও ১৫টি দুর্যোগ সহনীয় গৃহ উদ্বোধন

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

ফারুক আহমদ : উখিয়ায় ২টি ডিজিটাল পদ্ধতি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র ও ১৫ টি দুর্যোগ সহনীয় গৃহ উদ্বোধন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রকল্পসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ২টি ডিজিটাল পদ্ধতি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা।
নতুন নির্মাণাধীন সাইক্লোন সেন্টার গুলো হচ্ছে বালুখালী কাসেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কাম ডিজিটাল পদ্ধতি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র ও ছেপট খালি ডিজিটাল পদ্ধতি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র।
এদিকে শেখ হাসিনার অবদান টি আর কাবিটা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণ এ স্লোগান কে সামনে রেখে ১৫টি গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয় ৩৮ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আল মামুন জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহায়তায় ডিজিটাল পদ্ধতি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মান করায় দুর্যোগকালীন সময়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠী আশ্রয় নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী গ্রাম হবে শহর এ কর্মসূচির আওতায় ১৫ টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় এবং তালিকা যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গৃহহীন ও দুস্থদের মাঝে এসব বাড়িগুলো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বাড়ি নির্মানে ২লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা করে ব্যয় করা হয়েছে। এদিকে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র জানা গেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে সারাদেশের ১৪ জেলায় একযোগে এসব প্রকল্প ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন। ঐদিন ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নিকট হস্তান্তর করা হয়।
সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ বলেন ডিজিটাল পদ্ধতি আশ্রয় কেন্দ্রে দুর্যোগ কালীন সময়ে আবহাওয়ার সংকেত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে।