হ্নীলায় ইয়াবা কারবারি তৈয়ুবের তান্ডবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক::টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মোহাম্মদ তৈয়ুব প্রকাশ ইয়াবা তৈয়ুবের তান্ডবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। ইয়াবা তৈয়ুব হ্নীলার পশ্চিম সিকদার পাড়া এলাকার মৃত লালাইয়ার ছেলে। তাদের বেপরোয়া মাদক কারবার তাণ্ডবে অত্র এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের পথে পতিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মাদক এবং রোহিঙ্গা অধ্যুষিত তার নিজ এলাকা। ফলে মায়ানমার থেকে বিভিন্ন কৌশলে নানা পথ ব্যবহার করে তার হস্তক্ষেপে সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে ইয়াবা নামক মরণনেশা একপ্রকার বড়ি। রাতারাতি বদলে গেছে কৃষক তৈয়ুবের কপাল। বনে গেছে কোটিপতি। করে নিয়েছে গত ১থেকে ২ বৎসরের মধ্যে নামে-বেনামে কোটি টাকার জমিজমা।
সরকার ঘোষিত মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান এবং প্রশাসনের কঠোর অভিযানের মধ্যেও থেমে নেই তাদের ইয়াবা কারবার। বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ তৈয়ুব ঢাকা ও বিভিন্ন স্থানে প্রশাসনের হাতে গ্রেফতার হয়ে অনেকবার জেলও খেটেছেন। আবার গোপন আটকে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা দিয়ে মুক্তিপণও নিয়েছেন বলে এলাকাসূত্রে জানা গেছে।
গবাদি গরু-ছাগল ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা কারবারের সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন এই তৈয়ুব। রঙ্গিখালীর শীর্ষ ইয়াবা সম্পৃক্ত পরিবার মাইনুউদ্দীনের ব্যবস্থাপনায় যৌথ ভাবে চলছে অবৈধ এই মাদক কারবার। মাইনুউদ্দীন অপর দুই ভাইও (প্রায়) লক্ষাধিক ইয়াবা নিয়ে আটক হয়ে বর্তমানে জেল হাজতে আছেন। হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকার মাদক সম্পৃক্ত এরা সবাই ইয়াবা তৈয়ুবের আপন শালা-সমন্ধি।
এদিকে সচেতন মহলের দাবী, বর্তমান সরকারের চলমান মাদক বিরোধী জিরো টলারেন্স সফল করতে দুইটি আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পন হয়ে গেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যের ব্যাপার ২য় দফায়ও এই বেপরোয়া ইয়াবা তৈয়ুব ও সিন্ডিকেটের কারও নাম নেই। ফলে তাদের নাম তালিকায় না থাকায় এই নিয়ে চলছে হ্নীলা জুড়ে নানা গুঞ্জন। তাদের শিঘ্রই আইনের আওতায় এনে হ্নীলাকে কলঙ্কমুক্ত করা হউক বলে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন সচেতন মহল।

এই ব্যাপারে অভিযুক্ত তৈয়ুব ও তার ভাইয়ের নিকট বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করলেও কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ইয়াবা কারবারিবা যতই চালাক এবং শক্তিশালী হোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সময়মত এসব অবৈধ মাদক কারবারিদের ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে।