প্রত্যাবাসনের দাবীতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সমাবেশ অনুষ্টিত

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

খাঁন মাহমুদ আইউব : বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রত্যাবাসনের দাবীতে “লেটস গু হোম” লিখা সম্বলিত ব্যানার হাতে নিয়ে সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। রোববার সকালে উখিয়ার লম্বাশিয়া ক্যাম্পে সাধারণ রোহিঙ্গাদের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে অন্তত ৩৫ হাজার রোহিঙ্গা অংশগ্রহন করেন।

সমাবেশে রোহিঙ্গারা সাতটি দাবী উত্তাপন করেছে। দাবী গুলো হলো- (1) Start immediate repatriation of the Rohingyas to Myanmar. (2) Abolish the Citizenship Act of 1982. (3) Immediately resettle the Rohingyas at their own villages in Myanmar. (4) Ensure rights, safety and security of the Rohingyas in Myanmar. (5) Repatriation process must be completed within stipulated time. (6) Close IDP camps in Rakhine state and resettle the Rohingyas in their villages in Myanmar. (7) Stop torturing innocent people in Myanmar.

এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্টে নিহত রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ এমন সমাবেশ করেছিলেন। সে সময় ৩ লাখের বেশী রোহিঙ্গা জমায়েত হয়েছিলো।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মিয়ানমার সরকার ১৯৭৮, ১৯৯২, ২০১২, ২০১৬,২০১৭ সালে মায়ানমার সরকার আমাদের উপর অমানবিক অত্যাচার নিপীড়ন করে আমাদের নিজ দেশ হতে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে বিতাড়িত করে। সর্বশেষ ২০১৭ সালে ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা নিজ দেশ হতে উদ্বাস্তু হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।

আরকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) সংগঠনের সদস্য নুরুল আমিন তার বক্তব্যে বলেন, ২০১৭-২০১৮ এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ ও মায়ানমারের বিভিন্ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের কোন আগ্রহ দেখা যাচ্ছেনা। আমরা নিজেদের এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। দ্রুত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দদের এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক পুলিশ সুপার বলেন- নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পে গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ানো হয়েছিলো। সমাবেশ চলাকালে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য এপিবিএন পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে।