টেকনাফ টুডে ডেস্ক : কোরবানি একটি মহিমান্বিত ইবাদত। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তা করা হয়। মহান আল্লাহ যেন তা কবুল করেন, এ জন্য নিজের নিয়ত পরিশুদ্ধ করতে হবে এবং হালাল উপার্জন দিয়ে তা করতে হবে।
অংশীদারভিত্তিতে কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে আয়-উপার্জনসহ কিছু বিষয় যাচাই-বাছাই করা জরুরি। নিম্নে তা আলোচনা করা হলো :
১. অংশীদারের টাকা হালাল কি না
কোরবানি আদায় করতে হবে শতভাগ হালাল টাকায়, হারাম টাকায় কিংবা হালাল-হারাম মিশ্রিত টাকায় কোরবানি করলে আদায় হবে না।
ঘুষখোর, চাঁদাবাজ যদি তার অবৈধ উপার্জনের টাকায় কারো সঙ্গে কোরবানিতে শরিক হয়, তাহলে শরিকদের কারো কোরবানি আদায় হবে না। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ব্যয় কর তোমাদের অর্জিত হালাল সম্পদ থেকে।’ (সুরা বাকারা: ২৬৭)
২. অংশীদারের নিয়ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা
বিষয়টি জিজ্ঞাসা করা কঠিন হলেও, ইবাদতের স্বচ্ছতার স্বার্থে কৌশলে এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অংশীদারদের মধ্যে কারো মাংস খাওয়া উদ্দেশ্য হলে কারো কোরবানি আদায় হবে না।
এটাও অংশীদার নির্বাচনের আগে বোঝার চেষ্টা করা জরুরি। কেননা একজন শরিকের কোরবানি করার উদ্দেশ্য লোক দেখানো হলে কারো কোরবানি আদায় হবে না। (ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১১/২৪২)
