কক্সবাজার প্রতিনিধি, ৪ জানুয়ারী :
কক্সবাজারে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী আশিকুল ইসলাম আশিকের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
আজ দুপুরে রিমান্ড শুনানী শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবুল মনসুর সিদ্দীকির আদালত এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী সংস্থা ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।
আশিককে মাদারীপুর থেকে গ্রেফতার করেছিল র্যাব। পরে তাকে শোন এ্যারেস্টের আবেদন করা হলে গত রোববার তাকে কক্সবাজার কারাগারে নিয়ে আসা হয়।
অপরদিকে গতকাল গ্রেফতার মামলার দুই নম্বর আসামী মেহেদী হাসান বাবুকে আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।
মঙ্কগলবার রাতে ক্সবাজারের ঘোনাপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি টীম। সে কক্সবাজার পৌরসভার বাহারছড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।
এ নিয়ে ধর্ষণের এই মামলায় এজহার নামীয় ৪ জন সহ মোট ৭ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর আগে মামলার তিন নম্বর আসামী ইস্রাফিল হুদা জয় ও সন্দেহভাজন ৩ আসামী মেহেদী হাসান, মামুনুর রশীদ ও রেজাউল করিম সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে ট্যুরিস্ট পুলিশ। অপরদিকে হোটেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন ও আশিককে গ্রেফতার করে র্যাব।
উল্লেখ্য গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সৈকতের ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে ও পরে জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ উঠে আসামীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে কক্সবাজারের কলাতলীর ‘জিয়া গেস্ট ইন’ নামে একটি হোটেলে অভিযান চালায় র্যাব।
এসময় হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়। এ ঘটনার পরের দিন জড়িতদের শনাক্ত করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৩ জন সহ ৭ জনের বিরোদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে ভিকটিমের স্বামী।
এ মামলার সকল আসামীকে গ্রেফতার করলো র্যাব ও ট্যুরিস্ট পুলিশ।
