বার্তা পরিবেশক : গত ১৮নভেম্বর টেকনাফ ৭১ ডটকমে প্রকাশিত “হ্নীলা মৌলভী বাজারে পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা থানায় অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা বানোয়াট,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, সংবাদে উল্লেখিত বিরোধীয় জমিতে হোছন আলী গংয়ের কোন ধরনের স্বত্ব ও দখল নেই। ঐ জমির খরিদ সুত্রে প্রকৃত মালিক হ্নীলার আব্দুল মোনাফ সওদাগর গং। তাহাদের নামে দক্ষিণ হ্নীলা মৌজার এমআরআর ১৯৪৫নং খতিয়ান চুড়ান্ত প্রচার আছে। আব্দুল মোনাফ হতে ১৯৭৭ইং সনের ১১৩৩নং দলিলমূলে মৌলভী বাজার দক্ষিণ পাড়ার মৃত বদিউর রহমানের পুত্র এবং আমার বড় ভাই রফিকুল আলম ৪০শতক ক্রয়সুত্রে জমির মালিক। তাহাদের নামে বিএস খতিয়ান ও দিয়ারা খতিয়ান চুড়ান্ত প্রচার রয়েছে। গত ২০০৭ সালে স্থানীয় মৃত লোকমান হাকিমের পুত্র হাজী হোছন আলী গং বিএস সংশোধনী মামলা নং-১৮৩/২০০৭ইং দায়ের করে। সুদীর্ঘ ১২বছর মামলা চলার পর ২০১৯ইং সালে আদালত উক্ত হোছন আলী গংয়ের মামলা খারিজ করে রফিকুল আলম গংয়ের খতিয়ান বহাল রাখেন। তাই বর্তমানে উক্ত জমির বৈধ মালিক রফিকুল আলম গং। হোছন আলী গংয়ের কোন ধরনের স্বত্ব ও দখল নেই। হোছন আলী গং যে জমি দাবী করে আসছে তাতেই বর্তমানে তাদের বসত-ভিটা রয়েছে। ঐ দিন আমাদের জমিতে আমরা ঘেরা-বেড়ার কাজ করতে গেলে হোছন আলী গং কিছু উৎশৃংখল মহিলা দিয়ে আমাদের বাঁধা সৃষ্টি করে। এই বিষয়ে আমরা জমির যাবতীয় তথ্য প্রমাণসহ র্যাব-১৫ (সিপিসি-১) টেকনাফ ক্যাম্পকে অবহিত করি।
মূলত তাদের অপকর্ম আড়াল করার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে উদ্ভট তথ্য দিয়ে মনগড়া সংবাদ পরিবেশন করে সামাজিকভাবে হেয়পন্ন করার সুগভীর চক্রান্ত চালাচ্ছে। আমরা এই ধরনের ঘৃণ্য কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উক্ত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে সত্য উদঘাটনের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আন্তরিক সহায়তা কামনা করছি।
প্রতিবাদকারী :
নাম: : মৌলভী শহীদুল ইসলাম
পিতা-মৃত বদিউর রহমান
সাং-হ্নীলা মৌলভী বাজার,টেকনাফ।
###
